সানজীদের সফলতা

আপডেট : ১৩ মে ২০১৪, ১৯:৫৯
‘পরিশ্রম, ধৈর্য ও দৃঢ়তা না থাকলে যে কোন পেশায় সাফল্য পাওয়া কঠিন। নিজের যোগ্যতা ও মেধাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে। সেটাকে বিকশিত করার চেষ্টা থাকতে হবে।’ এমনটাই বলছিলেন সানজীদ। ব্যারিস্টার সানজীদ সিদ্দিকী। বাড়ি ধামরাইয়ের হাজীপুরে। বাবা ঢাকা জজকোর্টের সিনিয়র এ্যাডভোকেট এ এইচ এস রাশেদ। মা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক কর্মকর্তা শাহাজাদী বেগম। দুই ভাই-বোনের মধ্যে ছোট সানজীদ। অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ও লেভেলে পাঁচটি বিষয়ে ‘এ’ গ্রেডপ্রাপ্ত মেধাবী সানজীদ এ-লেভেলে ল’ এবং একাউন্টিং দু’টি বিষয়ে প্রশংসনীয় ফলাফল অর্জন করেন। এ-লেভেলে ল’ সাবজেক্টে সারাদেশের সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় ‘দি ডেইলি স্টার এওয়ার্ড ২০০৭’ প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করেন। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন, ইউ.কে থেকে এল.এল.বি (অনার্স), যুক্তরাজ্যের নর্দামব্রিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স (বিপিটিসি) ও পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা-ইন-ল’ সম্পন্ন করেন। উল্লেখ্য যে, নর্দামব্রিয়া ইউনিভার্সিটিতে উক্ত কোর্সে অংশগ্রহণকারী এ পর্যন্ত সকল বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে বিপিটিসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী লিংকনস ইন্ থেকে সম্মান সূচক ব্যারিস্টার-এট-ল’ সনদ লাভ করেন তরুণ আইনজীবী সানজীদ সিদ্দিকী। বর্তমানে অ্যাডভোকেট ও এসোসিয়েট ল’ইয়ার হিসেবে ব্যারিস্টার মাহাবুবউদ্দিন খোকন এন্ড এসোসিয়েটসে কাজ করছেন তিনি। সেই সাথে নিউ ক্যাসেল ল’ একাডেমীতে আইন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চব্বিশ বছর বয়সী এ অবিবাহিত তরুণ আইনজীবী সানজীদের মানুষের সেবায় রয়েছে প্রবল ইচ্ছা্শক্তি। যুক্তরাজ্য থেকে আসার পর তাঁর দাদা মানসুর রহমান সিদ্দিকীর নামে ধামরাইয়ে একটি ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। যার মাধ্যমে ধামরাইয়ের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান করে আসছেন বলে জানালেন তিনি। শৈশবে সানজীদের অভিলাষ ছিল সেনা কর্মকর্তা হবার কিন্তু বাবার অনুপ্রেরণায় আসেন আইন পেশায়।