ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের ৪ নম্বর পূর্ব বাটামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি মেঘনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশুনা নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছে। ৯ মাস আগে ওই স্কুলসহ প্রায় ১ কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদী থেকে ৪-৫ শত গজ দূরে স্কুলের শিশু শ্রেণীর ৪১ জন শিক্ষার্থী অসহ্য গরমে রাস্তার পাশে খোলা মাঠে ক্লাস করছে। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে বড়মানিকা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলতাব হাওলাদার বাড়ির মক্তবের বারান্দা ও মেঝেতে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্কুলটি ১৯১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০১১ সালে ও ২০১৩ সালে ভাঙ্গনের কারণে দুইবার স্থানান্তরিত হয়।
নকিব হাওলাদার জানান, তাদের বাড়িসহ এলাকার শিশুদের নামাজ ও কোরআন শিক্ষার জন্য বাড়ির মুরুবিরা মক্তবটি পরিচালনা করছেন। বৃহত্তর স্বার্থে স্কুলের প্রয়োজনে বিনা ভাড়ায় সাড়ে ৮ টার মধ্যে মক্তবের কাজ শেষ করে স্কুলের জন্য মক্তব ভবনটি দেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. রাশেদ বলেন, বড়মানিকা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নবীন হাওলাদার ও হাবিব হাওলাদার স্কুল ভবন নির্মাণে জমি দানে আগ্রহী। ওই প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল আলম জানান, ওই স্কুলসহ ২৫টি স্কুল ভবন নির্মাণের প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
