বর্ষা মৌসুমে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার হাওর, নদী ও জলাভূমিতে অসাধু মাছ শিকারীরা কারেন্ট জাল দিয়ে অব্যাহতভাবে মাছ শিকার করেন। গত কয়েক বছরে কমলগঞ্জ উপজেলা মত্স্য বিভাগের উদ্যোগে হাওর ও জলাভূমিতে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত শত শত কারেন্ট জাল উদ্ধার করলেও মামলা, জেল-জরিমানা হয়নি একটিও। গত সোমবার দুপুরে মুন্সীবাজার ইউনিয়নের রামপুর এলাকায় খিরনী ছড়া থেকে ১৫টি কারেন্ট জাল উদ্ধারের পর পুড়িয়ে ফেলা হয়।
কমলগঞ্জ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মত্স্য কর্মকর্তা মো. আসাদ উল্লা বলেন, বর্তমানে বন্যার পানি আসায় সুবিধাভোগীরা কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার শুরু করেছে। তিনি বলেন, কারেন্ট জাল ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এ জালে মাছ থেকে শুরু করে জলজ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। ফলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে রামপুর এলাকায় খিরনী ছড়া থেকে স্থাপনকৃত ১৫টি কারেন্ট জাল উদ্ধার করে পুুড়িয়ে ফেলা হয়। এসব জালের কোনো মালিক পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, আসলে কারেন্ট জালের কোনো মালিক না পাওয়ায় জেল-জরিমানা করা যাচ্ছে না।
