ব্রিটেনে ব্রেক্সিট কার্যকর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন এই পদের জন্য লড়াই করা প্রার্থীরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন, সাবেক ব্রেক্সিট মন্ত্রী ডমিনিক রাব, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট, পরিবেশমন্ত্রী মাইকেল গোভ, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ররি স্টুয়ার্ট এবং এস্থার ম্যাকভি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। আগামী জুলাইয়ের মধ্যে রক্ষণশীল টোরি দল তাদের নেতা নির্বাচিত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। খবর বিবিসির
ররি স্টুয়ার্ট জানিয়েছেন, তিনি বরিস জনসনের অধীনে কোনো দায়িত্ব পালন করবেন না। কারণ বরিস ‘চুক্তিহীন ব্রেক্সিট’কে গুরুত্ব দেন। এরপরই ম্যাট হ্যানকক নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেন। তার মতে, নতুন প্রধানমন্ত্রীকে খুবই সত্ হতে হবে যিনি পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করাতে পারবেন। তবে তিনি একটি আগাম নির্বাচনের দাবি প্রত্যাখান করেন। ম্যাট হ্যানকক বলেন, এই নির্বাচন ব্রিটেনে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। আর এটা হলে বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন প্রধানমন্ত্রী হয়ে বসতে পারেন। এটা না করেই বরং কিভাবে বর্তমান পার্লামেন্টের অধীনে ব্রেক্সিট চুক্তিটি সম্পন্ন করা যায় সেদিকেই লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, দলে এমন একজন নেতা দরকার যিনি কেবল বর্তমানের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও কার্যকরী হবেন। তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করার ক্ষমতা তার থাকতে হবে। বরিস জনসনকে নিয়ে
