মুক্তিযোদ্ধা ৬-০ চট্ট. আবাহনী
পেশাদার ফুটবল লিগের প্রথা অনুসারে গোপালগঞ্জ হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার নিজস্ব ভেন্যু। কিন্তু সেখানে ঢাকার ক্লাবগুলো খেলতে আগ্রহী ছিল না। অনেক জল গড়িয়ে কাল সেখানে প্রথম ম্যাচ হয়ে গেলো। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র প্রথম ম্যাচটিকে দারুণ স্বরণীয় করে রাখলো। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ৬-০ গোলে হারিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীকে। এক ম্যাচে দুই হ্যাটট্রিক দেখলো গোপালগঞ্জের ফুটবল দর্শকরা। সানডে চিজোবা এবং কিংসলের হ্যাটট্রিক হয়েছে। এক ম্যাচে ৬ গোল দেখে গোপালগঞ্জ শেখ ফজলুল হক মনি স্মৃতি স্টেডিয়ামের দর্শকরাও দারুণ খুশি। অনেক দিন পর ফুটবল খেলা দেখতে এসে দর্শকরা আনন্দ নিয়ে ফিরে গেছেন।
গোপালগঞ্জের মাঠে কাল মুক্তিযোদ্ধার এক তরফা খেলায় চট্টগ্রাম আবাহনী যেন পাত্তাই পেলো না। রেলিগেশনের আশংকায় থাকা দলটি এই হারে পয়েন্ট ব্যবধানে আরো নিচে নেমে গেলো। ১৫ খেলায় মাত্র ৮ পয়েন্ট নিয়ে ১০ দলের মধ্যে ১০ নম্বরে রয়েছে। আর মুক্তিযোদ্ধা কাল বড় জয় পেয়ে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থানের উন্নতি না হলেও ভালো অবস্থানে থাকার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ১৪ খেলায় মুক্তিযোদ্ধার ২১ পয়েন্ট।
খেলার শুরুতেই দু’ দল আক্রমণ প্রতি আক্রমণ করে খেলতে শুরু করলেও মুক্তিযোদ্ধার আক্রমণের ঝড়ে ভেঙ্গে পড়ে চট্টগ্রাম আবাহনী। পালাক্রমে নাইজেরিয়ান দুই ফরোয়ার্ড ভাগাভাগি করে গোল করেন। হ্যাটট্রিক পূরণ করেন। ৩৯, ৪২ ও ৭৬ মিনিটে কিংসলে ম্যাচের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন। আর সানডে চিজোবা ১৬, ৪৯ ও ৮০ মিনিটে ম্যাচের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক করেন।
চট্টগ্রাম আবাহনী বেশ কিছু আক্রমণ করেও ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় কোন গোলের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম আবাহনী হার মেনে নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এই চট্টগ্রাম আবাহনী ১ পয়েন্ট কেড়ে নিয়েছিল শেখ রাসেলের কাছ থেকে।
গোপালগঞ্জের ডিসি খলিলুর রহমান ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হন। পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুত্ফার রহমান বাচ্চু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এমবি সাইফ বি, বাফুফের সদস্য সাবেক অধিনায়ক ইলিয়াস হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আজকের খেলা ঃ ব্রাদার্স ও সকার ক্লাব, আবাহনী ও উত্তর বারিধারা ক্লাব (বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, ৪টা ৩০ ও ৭টা ৩০)।
