১৬ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফিরতে যাচ্ছে কলোম্বিয়া। আর পারফরম্যান্সটাও কখনও আহামরী কিছু না। তারপরও ব্রাজিলের কিংবদন্তী ফুটবলার পেলে বাজি ধরছেন লাতিন আমেরিকান এই দলটির জন্যই। তার মতে, আগামী ১২ জুন থেকে ব্রাজিলে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যেতে পারে দলটি।
তাদের সেই যাত্রা পথের সবচেয়ে বড় যোদ্ধা হবার কথা রাদামেল ফ্যালকাওয়ের। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর আগে কি অস্ত্রপচারের ধকল সামলে উঠতে পারবেন মোনাকোর এই ফুটবলার? গোটা কলোম্বিয়ার বিশ্বকাপ স্বপ্ন নির্ভর করছে এই তারকার উপর। গোটা কলোম্বিয়া এখন তাদের দেশ সেরা স্ট্রাইকারের দ্রুত সেরে ওঠাই চাইছে।
১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে সর্বশেষ খেলেছিল কলোম্বিয়া। এরপর সুযোগ পেয়েছে এই বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপ মঞ্চে তুলে দেয়ার পিছনে এই ফ্যালকাওয়ের ভূমিকাটাই ছিল সবচেয়ে বেশি। বাছাই পর্বের ১৩ ম্যাচে একাই তিনি করেন নয়টি গোল। চিলির বিপক্ষে যে ম্যাচে ৩-৩ গোলে ড্র করে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে কলোম্বিয়া সেই ম্যাচেও সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন রাদামেল ফ্যালকাও।
কিন্তু সমস্যা হল, গত জানুয়ারিতে ফ্রেঞ্চ কাপের এক ম্যাচ খেলতে গিয়ে কনুইয়ের লিগামেন্ট ছিড়ে যায় এই স্ট্রাইকারের। সেই থেকে মাঠের বাইরে আছেন তিনি। প্রথমে জানা গিয়েছিল এপ্রিলের মধ্যেই ফিট হয়ে উঠবেন তিনি। তবে, তার বাস্তবায়ন এখনও দেখা যাচ্ছে না। বিশ্বকাপ দিয়ে যদি ফিরে আসেনও, তাহলেও শতভাগ ফিট হয়ে খেলার সম্ভাবনাও খুব কম ২৮ বছর বয়সী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সাবেক এই মিডফিল্ডারের।
আর ফ্যালকাও না ফিরলে আক্রমণভাগ সাজাতে কিছুটা বিপাকেই পড়ে যাবেন কলোম্বিয়ান দলের কোচ হোসে পেকারম্যান। প্রথম পর্বের বাধাটা কলোম্বিয়ানদের জন্য অবশ্য খুব একটা শক্ত হবে না। গ্রুপ ‘সি’-তে তাদের প্রতিপক্ষরা হল আইভোরি কোস্ট, জাপান ও গ্রিস।¬
