সততার পুরস্কার পেতে চান সবাই। একজন দারোয়ানও ভাল কাজ করে পুরস্কার পাওয়ার আশা করেন। তবে তাই বলে ভাল একটা কাজ করার তিন বছর পর সততার পুরস্কার! আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর কাকে বলে! অস্ট্রেলিয়ার এক দারোয়ান প্রায় এক লাখ মার্কিন ডলারের বেশি টয়লেটে পেয়ে ফেরত দিয়েছিলেন!
সত্ জীবনে আর্থিক সংকট যে থাকবে না এটা হলফ করে বলা যায় না। তবে সত্ মানুষের কাছে এই আর্থিক সংকট কিছুই না। এর প্রমাণ রেখেছেন দারোয়ান চামিন্দু অমরসিংহে। ২০১১ সালের ঘটনা। তিনি একটি টিভি নেটওয়ার্ক অফিসের দারোয়ান হিসেবে কাজ করছিলেন। একদিন তিনি বাথরুম পরিষ্কার করতে গেলেন। দেখলেন প্রচুর পরিমাণ অর্থ বাথরুমে পড়ে আছে। তিনি প্রথমে মনে করলেন, কেউ হয়তো ভুয়া অর্থ দিয়ে তাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু তিনি এরপর ওই ডলারে হাত দিলেন এবং আশ্চর্য হলেন। সত্যিই আসল ডলার সেগুলো। কিন্তু তিনি ভাবলেন, এগুলোর মালিক তিনি নন। তিনি অত:পর ঊবর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেন। পরে ঊবর্ধতন কর্তৃপক্ষ পুলিশ ডাকলেন। পুলিশ এসে ডলারগুলো উদ্ধার করে এবং এক লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ! এরপর সিডনির এক ব্যক্তিকে এই অর্থের মালিক বলে ধারণা করে গ্রেপ্তার করা হলেও এত বিশাল পরিমাণ অর্থের রহস্য এখনো উদ্ধার হয়নি। তবে তাই বলে তিন বছর পর হলেও দারোয়ানের (বর্তমানে ফাস্টফুড কর্মী/ ছাত্র) পুরস্কার তো পাওনা রয়েছে! তাইতো ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে অবশেষে তাকে ৭৬ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হয় তাকে! এত্তো ডলার! বেজায় খুশি সাবেক এই দারোয়ান! তার কাছে এটা কেবলই স্বপ্ন! -হেরাল্ড সান
