নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ, চূড়ান্ত দল ঘোষণা হয়ে গেছে। এখন লুইস ফিলিপ স্কোলারির সেলেচাওদের রণকৌশল সাজাতে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল। অথচ, ব্রাজিল দল নয়, ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়েই বেশি ভাবতে হচ্ছে ৬৬ বছর বয়সী এই কোচকে।
ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোচের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে পর্তুগালের আয়কর বিভাগ। ব্রাজিলের বর্তমান এই কোচ পর্তুগালের কোচ হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত। সে সময়ে তিনি তার কর পরিশোধ করেননি বলে তারা গতকাল বুধবার এক রিপোর্টে জানিয়েছে।
আর এই ঘটনার পরই স্কোলারিকে নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে পর্তুগীজ গণমাধ্যমগুলো। তাদের মতে, সে দেশে কর ফাঁকি দেয়ার অপরাধে তিনি ফৌজদারী তদন্তের সম্মুখীন হতে যাচ্ছেন। নিজের দেশে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে এই অভিযোগ এল। কিন্তু এমন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ী এই কোচ। পর্তুগালের কোচিংয়ের দায়িত্বে থাকাক?ালে সাত মিলিয়ন ইউরো কর দেননি, এমন অভিযোগ পর্তুগালের আয়কর কর্তৃপক্ষের। আর এই পর্তুগিজ সেটা নাকি ইউরোপের কয়েকটি দেশ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, বাহামাস ও বৃটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডে পাচার করেছেন। এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে বলেন, ‘আমি সঠিকভাবে আমার সব ট্যাক্স রিটার্ন দায়ের করেছি। যেসব দেশে আমি কাজ করেছি তার প্রত্যেকটি দেশে সবসময় আমার আয় দাবি করেছি। আমি একেবারেই নিশ্চিত সঠিকভাবে ট্যাক্স রিটার্ন দায়ের করেছি।’ সঠিক বিচার ব্যবস্থা এই সমাধান দেবে মনে করেন স্কোলারি, ‘যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তবে তার দায় আমার নয়। বিচার ব্যবস্থা এই বিষয় থেকে নিষ্কৃতি দিবে।’
