ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিপাকে

আপডেট : ১৪ মে ২০১৪, ২১:৫৮
‘সনাতন প্রশ্ন পদ্ধতি’ বাদ দিয়ে উন্নত বিশ্বের ধারণায় ‘সৃজনশীল পদ্ধতি’ শুরু হওয়ার ছয় বছর পার হলেও এক্ষেত্রে ততটা অগ্রগতি হয়নি ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এখনো জোড়াতালি দিয়েই চলছে এই পদ্ধতি। ২০০৯ সালে মাধ্যমিক স্তরে চালু করা এই পদ্ধতি দীর্ঘ ছয় বছর পার হলেও খোদ শিক্ষকরাই এটি পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারেননি। এ পদ্ধতির প্রশ্ন প্রণয়ন করতে না পেরে এখনো কোথাও কোথাও বাইরে থেকে পশ্ন কিনে পরীক্ষা নিচ্ছেন শিক্ষকরা। পাশাপাশি শ্রেণীকক্ষে সৃজনশীল পদ্ধতি বোঝাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা। নিজে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না পেয়ে শ্রেণীকক্ষে পড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন শিক্ষকরা। আর এ কারণে শঙ্কায় আছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সর্বশেষ পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ ভাগ শিক্ষক নিজে প্রশ্ন প্রণয়ন করেন। আর আংশিক প্রশ্ন প্রণয়ন করেন ১২ ভাগ এবং বাইরে থেকে প্রশ্ন এনে পরীক্ষা নেন প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষক; কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে সৃজনশীলে আরো অদক্ষতার পরিচয় দেন শিক্ষকরা। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার আব্দুল আল আজাদ বলেন, অনেক শিক্ষক প্রশ্ন করার জন্য অন্য কাউকে দায়িত্ব দেন, নিজেরা প্রশ্ন করছেন না। যারা প্রশ্ন প্রণয়ন করতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।