হাজীগঞ্জের স্কুলে ৪৩ বছরেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া

আপডেট : ১৫ মে ২০১৪, ২১:৩৮
উপজেলার মালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৩ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি বর্তমানে অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। দুই একর জমির উপর ৪ রুমবিশিষ্ট একটি বিল্ডিং এবং জরাজীর্ণ টিনের তৈরি ২টি ঘরে এ বিদ্যালয়টিতে প্রায় সাড়ে ৬শ’ শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করছে। মাঝে মাঝে কাঠ ও টিন ভেঙ্গে পড়ে দুর্ঘটনাকবলিত হয় শিক্ষার্থীরা। ১২ জন শিক্ষকের মধ্যে ২টি পদ খালি। তারপরও প্রতিবছর শতভাগ ফলাফল অর্জন করে আসছে বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল জানান, বিগত ৪৩ বছরে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়ম অনুযায়ী যে বরাদ্দ রয়েছে তার বাইরে তেমন কোন বরাদ্দ না পাওয়ায় বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। মালিগাঁও বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান বিভাগ থাকলেও নেই একটি বিজ্ঞানাগার। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য বসার চেয়ার-টেবিল ]প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। দো’চালা টিনের ঘরগুলো জরাজীর্ণ বিধায় বৃষ্টি আসলেই পানিতে ভিজতে হয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে সামনের মাঠে বসে ক্লাস করে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তি মফিজুর রহমানের প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টির জন্য একটি ভবন ও বিজ্ঞানাগার থাকলে বড় সমস্যার সমাধান হতো।