লুই ফেলিপে স্কলারির বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না পেলেও আগামী মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া ফুটবল মহারনে রোনালদিনহো আস্থা রাখছেন এই কোচের উপরেই। স্কলারির অধীনে ব্রাজিল দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলতে যাচ্ছে বলেই বিশ্বাস তার। আর ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে কোন দলকে দেখতে চান এমন প্রশ্নের জবাবে এই সাবেক বার্সেলোনা তারকা বলেছেন স্পেনের নাম।
স্প্যানিশ রেডিও চ্যানেল ক্যাদেনা কোপেকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে রোনালদিনহো তার বিশ্বকাপ ভাবনার নানা দিক তুলে ধরেন।
স্কলারির বিশ্বকাপ দলে রোনালদিনহো সুযোগ পাবেন, ভক্তদের এমন আশাবাদ থাকলেও বাস্তবতা ছিল একেবারেই ভিন্ন। কারণ, অ্যাথলেটিকো মিনেইরোর হয়ে এই প্লেমেকারের সামপ্রতিক ফর্ম মোটেই কথা বলছিল না তার হয়ে। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে সর্বশেষ মাঠে নেমেছেন, তারপর পেরিয়ে গেছে অনেকটা সময়। তাই, ডেভিড লুইজ, উইলান-অস্কারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আরেকবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেয়ার আশা করেননি বলেই জানালেন ঝাকড়া চুলের এই তারকা। বার্সেলোনায় ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা কাটানোর পরে, এসি মিলান হয়ে বর্তমানে নিজের দেশে ফেরা রোনালদিনহো বলেন, ‘বেশ কয়েকবারই এমন হয়েছে যে, তিনি (স্কলারি) আমাকে দলে নেননি। আমি জানতাম আরেকটা সুযোগ পাওয়াটা হবে খুব কঠিন।’
তবে নিজে সুযোগ না পেলেও সতীর্থদের জন্য শুভকামনা জানাতে দ্বিধা করেননি টানা দুই বারের ফিফা বর্ষসেরা এই তারকা। ব্রাজিলের ২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য এই খেলোয়াড় বলেন, ‘যদি প্রশ্ন করা হয় আমার ফেভারিট কে তাহলে আমি ব্রাজিলের নামই বলবো। কারণ তারা নিজেদের মাটিতে খেলছে। কোন সন্দেহ নেই ব্রাজিলই সবচেয়ে বড় দাবীদার। আমার বিশ্বাস ব্রাজিলের জন্য দুর্দান্ত একটা বিশ্বকাপ সফর অপেক্ষা করছে। সেখানে তারা শিরোপা জিতবে বলেই আমি মনে করি।’
ব্রাজিলের সঙ্গে কোন দলটিকে ফাইনালে দেখতে চান এমন প্রশ্নের জবাবে রোনালদিনহো জানালেন শিরোপাধারি স্পেনের কথাই। তবে, এই উত্তরের পেছনে সেখানে যুক্তির চাইতে নিজের ইচ্ছাকেই যে বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন সেটা জানিয়ে দিলেন পরের কথাতেই, ‘আমি চাই ফাইনালটা হোক স্পেনের বিপক্ষে। কারণ, তারাই সেই দল যেখানে আমার বেশীরভাগ বন্ধু-বান্ধব খেলছে। এটা অসাধারণ একটা ফাইনাল হবে। কারণ, তারা এমন দুটি দল যারা পৃথিবীর সবচেয়ে ভাল ফুটবল খেলে।’
এদিকে, বিশ্বকাপের সময়টাতে মাঠের বাইরে বিশ্বকাপ বিষয়ক কোন অনুষ্ঠানে দেখা যাবে কিনা এমন প্রশ্নে নেতিবাচক উত্তরই আসল ৩৪ বছর বয়সী এই তারকার কাছ থেকে। ম্যাচ বিশ্লেষক কিংবা ধারাভাষ্যকারের কাজ তাকে মোটেই টানে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এখনই এ বিষয়ে বলতে পারছি না। তবে টিভিতে কিংবা ধারাভাষ্যের কাজগুলো করতে আমি স্বস্তি বোধ করি না। আমি আসলে এই ছুটিটা কাজে লাগাতে চাই এবং ইউরোপে আমার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে চাই। ওয়েবসাইট।
