নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলার নদ-নদী ও পুকুর-ডোবায় পানি শুকিয়ে যাওয়ায় মাছের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বাজারে চাহিদার অর্ধেকেরও কম মাছ উঠছে। এ কারণে আকাশ ছোঁয়া দামের জন্য সাধারণ মানুষ এখন আর মাছের স্বাদ নিতে পারছে না।
পুকুর-জলাশয়ে চাষ করা মাছ সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা কিছুটা পূরণ করেছে। কিন্তু বর্তমানে তার দামও ধরাছোঁয়ার বাইরে। ক্রমান্বয়ে বিলুপ্তি ঘটছে নদ-নদীর মিঠা পানির রুই, কাতলা, মৃগেল, বোয়াল, চিতল, শোল, চেলা, নন্দই, চাপিলা, টেংরা, টাকি, গোলসা, কাল বাউস, খোলসা, মোয়া, পাতাশি, পাবদা, শিং, মাগুর, কৈ, পাবদা ও ফলি প্রভৃতি। এদিকে জেলার নদ-নদী মত্স্যশূন্য হয়ে পড়ায় হাজার হাজার মংস্যজীবী বেকার হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে কেউ পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে গেছে।
নীলফামারী জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা, বুড়ি তিস্তা, চড়াল কাটা, ধাইজান, নাউতারা, দেওনাই, চিকলী, খড়খড়িয়া, কমলদা, ধামরাই, মরা ধামরাই, ঘাটামারী প্রভৃতি নদ-নদীর পানি শূন্যতায় মাছের প্রজনন হচ্ছে না। জেলায় মাছের চাষ শুধু এখন পুকুরভিত্তিক হচ্ছে।
জেলার মাছের চাহিদা পূরণ ও বংশবৃদ্ধির জন্য মত্স্য চাষ প্রকল্প গড়ে উঠেছে। সেখানে চাষিদের প্রয়োজনীয় ট্রেনিং ও মিঠাপানির মাছ রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে প্রশিক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।
