চলতি বোরো মৌসুম থেকে নীলফামারী জেলায় জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষ শুরু হয়েছে। চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে জেলার ৫০ কৃষক প্রদর্শনী প্লট করে যাত্রা শুরু করেছেন জিংক সমৃদ্ধ জাতটির। প্রদর্শনী প্লটের চাষ পদ্ধতি ও ফলাফল পর্যবেক্ষণের জন্য সম্প্রতি নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নিত্যানন্দী গ্রামে মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মছিরত আলী শাহ ফকিরের সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-পরিচালক এস, এম সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আরডিআরএস বাংলাদেশ নীলফামারী জেলার কর্মসূচি সমন্বয়কারী রাশেদুল আরেফিন এবং কৃষি ও পরিবেশ সমন্বয়কারী মামুনুর রশিদ মাঠ দিবসের মূল বিষয়বস্ত্ত উপস্থাপন করেন। আলোচনা সভায় হারভেষ্ট প্লাস চ্যালেঞ্জ প্রোগ্রামের পোস্ট ডক্টোরাল ফেলো এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ৪০ ভাগ শিশু যাদের বয়স ৫ বছরের নিচে তারা অপুষ্টিতে ভুগছে এবং তাদের মধ্যে ৪৪ ভাগ আবার জিংক স্বল্পতায় ভুগছে। এছাড়া প্রায় ৬০ ভাগ মহিলা জিংক স্বল্পতাজনিত রোগে ভুগছে। যেহেতু ধান আমাদের প্রধান খাদ্য, তাই জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষ এবং এর ভাত খেয়ে সহজে জিংকের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
