নাগেশ্বরীর ফুলকুমার নদীর উপর স্বেচ্ছাশ্রমে ৬০ ফুট লম্বা সাঁকো নির্মাণ করেছে এলাকাবাসী। এই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে ১০ গ্রামের মানুষ।
শুকনো মৌসুমে ফুলকুমারে হাঁটু পানি পার হয়ে চলাচল করে রাঙ্গালীরবস, সাপখাওয়া, বোর্ডের বাজার, দামালগ্রাম, সোনাইরখামার, রতনপুর, ভূরুঙ্গামারীর বীর ধাউরারকুটি মন্ডলপাড়া গোরস্থান পাড়া, মোঘলকাটা, বাড়াইটারী, ডিপেরহাট, সোনাহাটের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। স্থানীয় সফিকুল, আব্দুর রশিদ, মোসলেম উদ্দিন, ওছমান আলী, জয়নাল আবেদীন, রমিছা খাতুন, আর্জিনা খাতুন জানায়, প্রায় একযুগ ধরে অস্থায়ীভাবে তাঁরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে।
