মঠবাড়িয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান

আপডেট : ১৯ মে ২০১৪, ২২:৪৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানীসাফা ছালেহিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। ৫০ বছরের পুরানো একাডেমিক ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ না করা হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। একাডেমিক ভবনসহ মাদ্রাসার তিনটি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একটি দোতলা ও দুইটি একতলা ভবন রয়েছে। জনগণের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ষাটের দশকে নির্মিত একাডেমিক ভবন দুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে অনেক বছর আগেই। ভবন দুটির দেয়াল ফেটে গেছে, ছাদের পলেস্তারা খসে ও ভিম ফেটে রড বেড়িয়ে গেছে। ওই জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। ১৯৮৫ সালে সরকারিভাবে নির্মিত একমাত্র বিজ্ঞান ভবনটি বর্তমানে শিক্ষকদের অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মাদ্রাসার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩১ সালে ধানীসাফা গ্রামের মাওলানা মহসিন উদ্দিন মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এখানে ৬০০ শিক্ষার্থী ও ২৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য ২১টি কক্ষের প্রয়োজন হলেও আছে মাত্র ১৬টি। ওই ১৬টি কক্ষের সবকটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ। মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আবুল হোসেন জানান, ৮৩ বছরের প্রাচীন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ থেকে আমরা উপেক্ষিত। অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার ভবনগুলো পাঠদানের অনুপযোগী জানিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়া জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার ও নতুন ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও ফল পাইনি। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শাকিল আহমেদ জানান, মাদ্রাসার ব্যক্তিগত তহবিলে টাকা না থাকায় ভবনগুলো সংস্কার করা যাচ্ছে না। এজন্য সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। সালথার কাগদী চান্দাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা \ সালথার মাঝারদিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত কাগদী চান্দাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত । উক্ত স্কুলে শিক্ষক, বেঞ্চ, শ্রেণি কক্ষ ও বিদ্যুত্ সংকট থাকার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ধ্বংসের মুখে ধাবিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ স্কুলে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৪ শ’ ২১ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়ালেখা করছে। সরেজমিনে জানা যায়, ২০০৫ সালে এ স্কুলে নগরকান্দা এলজিইডির অধীনে দুই তলাবিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু কাজে অনিয়ম থাকার কারণে এখন ভবনের বিভিন্ন স্থান ভেঙ্গে পড়ছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের আতঙ্কে ক্লাস করতে হচ্ছে। এখানে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৭ জন শিক্ষক এবং ৫ টি শ্রেণি কক্ষের প্রয়োজন। কিন্তু আছে মাত্র ৪ জন শিক্ষক এবং ৪ টি শ্রেণি কক্ষ। তাও একটি শ্রেণি কক্ষে কোন বেঞ্চ-চেয়ার নেই। এ ছাড়া স্কুলে বিদ্যুতের কোন ব্যবস্থা নেই। অন্যদিকে এ স্কুলে সাবেক একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে যা মেরামত করা হলে শ্রেণি কক্ষের সংকট থাকবে না। এ বিষয় উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার চাকী বলেন, যা যা সংকট রয়েছে তার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানিয়েছি।