অনিক। পুরোনাম অনিক সিদ্দিকী। পড়ছেন বরিশাল জিলা স্কুলে। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এই ছোট্ট ছেলেটি পবিবেশবান্ধব জেনারেটরের প্রকল্প দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তার জেনারেটরের বিশেষত্ব হলো, এটি পরিবেশের ক্ষতি করবে না। শব্দদূষণ ও পরিবেশ দূষণ কমাবে অনিকের জেনারেটর। চলতি বছরের প্রযুক্তি সপ্তাহে বিচারকের মন জয় করে অনিকের ‘পরিবেশবান্ধব জেনারেটর’। পেয়েছেন পুরস্কার এবং সম্মাননা। কথা হয় অনিকের সঙ্গে। পরিবেশবান্ধব জেনারেটর প্রসঙ্গে অনিক বলেন, বাসায় বিদ্যুত্ চলে গেলে জেনারেটর চালানো হয়। সেই জেনারেটরের উচ্চ শব্দ আর কালো ধোঁয়ায় আমার নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। আর তাই আমি ভাবতে থাকি, নতুন একটা জেনারেটর বানাতে হবে। যে জেনারেটর শব্দদূষণ এবং পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কমাবে। আর আমার দেয়া নতুন জেনারেটর পরিকল্পনা মেনে জেনারেটর বানালে পরিবেশের ক্ষতি হবে না। বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যাডভোকেট মুনসুর আহমেদ এবং সুমা আহমেদের ছেলে অনিক। ছোটবেলা থেকেই উদ্ভাবনের দিকে ঝোঁক তার। পরিবেশ নিয়ে ছেলেটার ভাবনা দেখে অবাক হয়ে যেতে হয়। এতো অল্প বয়সেই বেশ পরিবেশ সচেতন ছেলেটা। দেখা যায়, দেশের অধিকাংশ মানুষের অচেতনতার জন্য প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এমন সময়ে ছোট্ট অনিকের পরিবেশ নিয়ে ভাবনাটা তাই প্রশংসার দাবি রাখে।
অনিকের বড় ভাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মো. আরিফ হোসেন বলেন, আমরাও আমার ভাইয়ের এতো ভালো চিন্তা দেখে অবাক। আমার বিশ্বাস সে অনেক বড় কিছু হবে। আমরা চাই তার উদ্ভাবনী মন দিয়ে সে আরো ভালো চিন্তা করুক। দেশের কল্যাণ করুক। আমার ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন। অনিকের বাবা এ্যাডভোকেট মুনসুর আহমেদ এবং মা সুমা আহমেদ বলেন, স্কুলের শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষকদের সহায়তা নিয়েই সে প্রকল্পটি বানিয়েছে। তাদের দিক নির্দেশনা না থাকলে হয়ত ভালো চিন্তা করা সম্ভব নয়। অনিকের জন্য শুভ কামনা চাই।
