খরায় ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নমে যাওয়ায় মাগুরা জেলার ৫ হাজার হস্তচালিত নলকূপে পানি উঠছে না। ফলে খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, পানির স্তর সর্বোচ্চ ২২ থেকে ২৪ ফুট পর্যন্ত থাকলে এসব নলকূপ পানি উত্তোলন করতে সক্ষম। কিন্তু বর্তমান পানিস্তর ৩২ ফুটের নিচে নেমে যাওয়ায় এসব নলকূপের ৬০ ভাগই পানি সরবরাহে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। জনস্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় সাধারণ অগভীর নলকূপে পাইপের মোট দৈর্ঘ্য থাকে ১৫০ থেকে ২০০ ফুট।
গভীর নলকূপের ক্ষেত্রে এটি ৫০০ থেকে ৬০০ ফুট থাকে। কিন্তু শুকনো মৌসুমের জন্য পাইপে পানি সংরক্ষিত রাখার জন্য কমপক্ষে ৭০ ফুট হাউজিং পাইপ বসানোর কথা। সাধারণ টিউবওয়েলের ক্ষেত্রে যা থাকে না। এ কারণে এসব টিউবওয়েল পানিস্তরের নিম্নমুখিতার কারণে এখন পানি তুলতে পারছে না। অন্যদিকে তারা পাম্প নামের যেসব টিউবওয়েলে ৭০ ফুট হাউজিং আছে সেগুলোতে এখনো পানি উঠছে। কিন্তু জেলায় এ ধরনের টিউবওয়েলের সংখ্যা সর্বোচ্চ ২ হাজার।
হাউজিংবিহীন একটি সাধারণ টিউবওয়েল স্থাপনে যেখানে খরচ হয় ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকা, সেখানে হাউজিং সমৃদ্ধ তারা পাম্প জাতীয় টিউবওয়েল স্থাপনে খরচ ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা। এ কারণে এই টিউবওয়েল স্থাপনের হার অনেক কম।
