তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল এবং এ সময়ের অত্যন্ত প্রিয় পানীয়। বাজারে তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে। তরমুজে প্রচুর আয়রন ও ভিটামিন রয়েছে, যা একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের শরীরের জন্য যথেষ্ট দরকারি। তাছাড়া তরমুজ রক্তাল্পতা ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। কিডনি সবল রাখতেও তরমুজের রস বেশ সহায়ক। বিজ্ঞানীরা মত প্রকাশ করেছেন, তরমুজের রসের মধ্যে সামান্য জিরা গুঁড়া ও লবণ মিশিয়ে খেলে হূদরোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। শুধু তাই নয়, টাইফয়েড রোগীকে তরমুজের রস বারবার খাওয়ালেও জ্বরের মাত্রা কমে।
টুকরো করে চিবিয়ে বা রস করে দু’ভাবেই তরমুজ খাওয়া যায়। তরমুজের মৌসুমে রাস্তাঘাট ও হাটবাজারে দেদারসে কাটা তরমুজ বিক্রি হতে দেখা যায়। এসব তরমুজ সম্পূর্ণ খোলামেলা অবস্থায় থাকে। ফলে ধুলাবালি এবং মাছি সহজেই এতে আশ্রয় নেয়। তাছাড়া টুকরা করার সময় তরমুজ কাটার ছুরি এবং হাত ধুয়েও নেওয়া হয় না। এর ফলে সহজেই তা জীবাণুযুক্ত হয়। ক্রেতা বা বিক্রেতা এ ব্যাপারে মোটেও সচেতন থাকার প্রয়োজন মনে করে না। তরমুজ কাটার আগে অবশ্যই এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত।
তরমুজের ভেতরের তাপমাত্রা জীবাণু বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কাটা তরমুজ ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা উচিত নয়। ফ্রিজে তরমুজ কেটে অনায়াসেই রাখা যায়। এতে জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। অসাধুু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় তরমুজে কৃত্রিম মিষ্টি ঢোকাতে গিয়ে নোংরা সিরিঞ্জ বা পানি ব্যবহার করে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কাজেই পুষ্টিমানের কথা বিবেচনা করে তরমুজ খাওয়ার পাশাপাশি এসব ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত।
