পাবনার আটঘরিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার যোগদানের পর থেকে ঘুষের দর বেড়েছে ৩ গুণ। এ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের মাথা ব্যথা নেই। অভিযোগ উঠেছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দলিল লেখক সমিতির সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেট এ ঘুষ বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রক। এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জমির ক্রেতা-বিক্রেতাদের জিম্মি করে প্রতিদিন গড়ে অফিসের ৫০-৬০ হাজার এবং দলিল লেখক সমিতির ৮০-৯০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জমি রেজিস্ট্রি খাতে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে ৯ এবং পৌরসভা পর্যায়ে ১১ শতাংশের স্থলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতি হাজারে ১৫ ও ১৮ শতাংশ অর্থ আদায় করা হয়। দানপত্র ও অন্য দলিলের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং দুর্নীতি আরো বেশি হয়। আটঘরিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে সরকারি খাস জায়গাও রেজিস্ট্রি হয়ে থাকে। দলিল লেখক সমিতির হাত হয়ে দলিল প্রতি সাব-রেজিস্ট্রারের ঘুষ কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা। ক্ষেত্র বিশেষে তা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ওঠে। ঘুষের বাকি টাকা জমা হয় দলিল লেখক সমিতিতে। তবে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও দলিল লেখক সমিতি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
