শিক্ষকদের সঠিক সময়ে আগমন ও প্রস্থান না হওয়া ও সঠিক পদ্ধতিতে পাঠদান না করানোর কারণে পাবনা আটঘরিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষার বেহালদশা বিরাজ করছে। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই। ফলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বই পড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঠিক মনিটরিংয়ের অভাবে শিক্ষকরা ঠিকমত পাঠদান করাচ্ছেন না ।
প্রতিদিন সকাল ৯টায় শিক্ষকদের উপস্থিতি ও সাড়ে ৯টায় পাঠদান শুরুর প্রজ্ঞাপন জারি করা থাকলে শিক্ষকরা সঠিক সময়ে আসেন না। অনেকে ১০টায় উপস্থিত হন। আবার কোনো কোনো বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ৩টা ও সাড়ে ৩টায় ছুটি দেন। কোনো শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে না গিয়ে অন্য শিক্ষকদের দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। অনেক শিক্ষক রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়ে মুভমেন্ট রেজিস্টার মেইনটেন না করে শিক্ষা অফিসের সামনে আড্ডায় মেতে উঠেন। অপরদিকে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে নিষিদ্ধ নোট ও গাইড বই। রতিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মিম জানান, তার বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকা সেলিনা খাতুন লেকচার গাইড কিনতে আদেশ করেছেন। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের নির্দেশে এসব বই কিনছেন বলে জানালেও শিক্ষকরা দায়ী করেছেন গৃহ শিক্ষকদের। এ ব্যাপারে আটঘরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুলতানা রাজিয়া জানান, জনবলের সঙ্কটের কারণে ঠিকমত মনিটরিং সম্ভব হচ্ছে না।
