চলতি মৌসুমে জামালপুরে যমুনার ভাঙ্গনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ বিলিন হয়েছে। ফলে ওই এলাকায় কুলকান্দি হার্ট পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুঠাইল বাজার হার্ড পয়েন্ট ভাঙ্গনে হুমকিতে পড়েছে গুঠাইল বাজার।
জামালপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, ইসলামপুর কুলকান্দি হার্ড পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুঠাইলবাজার হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার পাউবো কোন কাজ বাস্তবায়ন না করায় যমুনার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশাল এলাকা জুড়ে অব্যাহত ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে ওই সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি যমুনা নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। বর্তমানে ইসলামপুরের ঐতিহ্যবাহী নৌ-বন্দর গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট, হুমকির মুখে পড়েছে। অপরদিকে গুঠাইল হার্ড পয়েন্টের ভাটির দিকে ৩ কিলোমিটার ডাম্পিং করা হলেও এর পিছনে আরো দেড় কিলোমিটার ড্রাম্পিং কাজ না করায় সেখানে দেখা দিয়েছে প্রবল ভাঙ্গন।
বর্ষায় ইসলামপুরের গুঠাইল নৌ-বন্দর, গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট, গুঠাইল বাজার, গুঠাইল হাইস্কুল এন্ড কলেজ, গুঠাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুঠাইল মাদ্রাসা, মসজিদসহ অসংখ্য ঘর-বাড়ী, গাছ-পালা, হাজার হাজার একর ফসলী জমি যমুনার নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার পথে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নবকুমার জানান, কদমতলী-উলিয়া অংশের দেড় কিলো মিটার খুব শিঘ্রই দরপত্র আহবান করা হবে। তবে কুলকান্দি হার্ড পয়েন্ট থেকে গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার ডাম্পিং কাজের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
গুঠাইল বাজার রক্ষায় স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কিছু বালির বস্তা ডাম্পিং কাজের প্রস্তুতি চলছে। অপর দিকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি নদী গর্ভে বিলিন হওয়ায় এ বর্ষায় ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও সরিষাবাড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই আশংকা করছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
