পুঠিয়া উপজেলার এস, আর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি নানান সমস্যায় জর্জরিত। ২০০৭ সাল থেকে শতভাগ পাসের রেকর্ড রয়েছে স্কুলটির। শ্রেণিকক্ষের অভাবে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে এবং কালো বিষ পিঁপড়ার কামড় খেয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে গাছতলায়। বিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক ও ১ কর্মচারীর বেতন হয়নি ১৪ বছর ধরে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিউলি খাতুন জানান, ১৯৯৮ সালে ১ একর ৪ শতাংশ জমির উপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। টিন, বাঁশ ও চাটাইয়ের বেড়া সম্বলিত একটি লম্বা ছাপরা ঘরে বিদ্যালয়ের সব কয়টি ক্লাস চলতো। একটি ৩ কক্ষ বিশিষ্ট অর্ধপাকা ঘরে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও কম্পিউটার অফিস। ২০১৩/১৪ অর্থ বছরে স্থানীয় ভালুকগাছী ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত পৌনে দুই লাখ টাকা পেলে স্কুল ঘরের ছাপরা ভেঙ্গে অর্ধপাকা ঘরের কাজ শুরু হয়।
ভালুকগাছী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আ. করিম জানান, আগামী অর্থ বছরে বরাদ্দ পেলে স্কুলের অসমাপ্ত কাজে হাত দেয়া হবে। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৩ শিক্ষক ও ৪ কর্মচারীর মধ্যে ১৪ বছর ধরে ৬ শিক্ষক ও ১ কর্মচারীর বেতন হয়নি। তবুও তারা নিয়মিত পাঠদান করে চলেছেন।
