অবসরভোগী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বঞ্চনার অবসান হোক

আপডেট : ২৫ মে ২০১৪, ২২:২৮
১৯-১১-১৯৯৫ তারিখের অম/অবি (বাস্ত-১ বিবিধ-৫/৯৫-২৩০ অনুযায়ী সমস্ত সরকারি সংস্থায় পেনশন প্রথার পরিবর্তে অনুতোষিক (গ্রাচ্যুয়িটি) চালু রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পেনশন প্রদানের ক্ষেত্রে যে ভাবে বেতন নির্ধারণ করা হয়, আনুতোষিক (গ্রাচ্যুয়িটি) প্রদানের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে আদেশ জারি করা হয়, যা পেনশনের বিকল্প ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মূল বেতনের ৮০%-এর ৫০% গ্রাচ্যুয়িটি প্রদান করা হয়, অবশিষ্ট ৫০% এর স্থলে সিপিএফ-এর আর্থিক সুবিধা দেয়া হয়, যা পেনশন স্কিমেরও অংশ। কিন্তু ঐ সব অবসরভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারী পেনশনভুক্ত নয় বলে ২০০১ সালের প্রবর্তিত চিকিত্সা ভাতা এবং ২০০৪ সালের উত্সব বোনাস কোনটাই প্রদান করা হয় না, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং বৈষম্যমূলক বটে। পক্ষান্তরে পেনশন (জিপিএফ) ভুক্ত কর্মচারিগণ ১০০% পেনশন সমর্পণ করেও ঐ দুটি ভাতা পেয়ে থাকেন। উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা মনে করেন মাসিক ৭০০ বা ১০০০ টাকা চিকিত্সাভাতা এবং বছরে দুইবার মাত্র নির্ধারিত হারে উত্সবভাতা তাঁদের প্রদান করা উচিত, কারণ তাঁরা জরাগ্রস্ত ও রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত। মানবিক কারণে বিষয়টি বিবেচনার জন্য মাননীয় অর্থমন্ত্রী, বেতন ও চাকরি কমিশন-২০১৩-এর সভাপতি মহোদয় সমীপে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এ বি এম জয়নাল আবেদীন, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, ৯০৫/৭ পূর্ব শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬