এশিয়া ক্লাউড কম্পিউটিং অ্যাসোসিয়েশনের (এসিসিএ) সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে জাপান, নিউজিল্যান্ডের মতো দেশ। তাদের সর্বশেষ ক্লাউড রেডিনেস ইনডেক্সে এশিয়ার ১৪টি দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে জাপান। ঠিক তার পরের স্থানটিতেই রয়েছে নিউজিল্যান্ড। তিন বছর ধরে এই ইনডেস্ক হিসাব করে আসছে এসিসিএ। তাতে গত বছরেও শীর্ষস্থানটি দখলে ছিল জাপানের। অন্যদিকে গত বছরের তুলনায় এ বছরে এসে বড় ধরনের উত্থান ঘটেছে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং থাইল্যান্ডের। এই তিনটি দেশই আগের বছরের তুলনায় চার ধাপ করে এগিয়ে এসেছে। তাতে করে নিউজিল্যান্ডের স্থান হয়েছে দুইয়ে, অস্ট্রেলিয়ার তিনে এবং থাইল্যান্ডের নয়ে। দুই ধাপ এগিয়ে র্যাংকিংয়ে ফিলিপাইনের অবস্থান দশম স্থানে। জাপানের মতো সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ার অবস্থানও রয়েছে অপরিবর্তিত। এই দুইটি দেশের অবস্থান যথাক্রমে চতুর্থ এবং অষ্টম। এই তালিকায় আগের বছরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি অবনমন ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতের। এই দুইটি দেশই চার ধাপ করে পিছিয়েছে এই র্যাংকিয়ে। ফলে এখন দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থান ষষ্ঠ এবং ভারতের অবস্থান ত্রয়োদশ স্থানে। অন্যান্য দেশের মধ্যে হংকং (পঞ্চম) ও তাইওয়ান (সপ্তম) পিছিয়েছে দুই ধাপ করে এবং চীন (একাদশ), ইন্দোনেশিয়া (দ্বাদশ) ও ভিয়েতনাম (চতুর্দশ) পিছিয়েছে এক ধাপ করে। মোট দশটি ক্যাটাগরিতে এই ইনডেক্সটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এই সূচকগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রাইভেসি, ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি, ডাটা সভেরেন্টি, ব্রডব্যান্ড কোয়ালিটি, গভর্নমেন্ট রেগুলেটরি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ইউসেজ, পাওয়ার গ্রিড অ্যান্ড গ্রিন পলিসি, ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি প্রটেকশন, বিজনেস সফিসটিকেশন, ডাটা সেন্টার রিস্ক এবং ফ্রিডম অব ইনফরমেশন। এই দশটি সূচকের ১০০ নম্বরের মধ্যে জাপানের অর্জন সর্বোচ্চ ৭৬.৮। সর্বশেষ অবস্থানে থাকা ভিয়েতনামের অর্জন ৪৭.৮।
