ঝিনাইদহ জেলায় সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে একশ’ ১৫ জন ডাক্তারের পদ শূন্য রয়েছে। এতে সরকারি হাসপাতালগুলোতে মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না। এ সুযোগে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো জমজমাট ব্যবসা করছে।
জেলা সিভিল সার্জন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সিভিল সার্জন অফিসে ডাক্তারের পদ আছে ৬টি, আছে ৩ জন ডাক্তার। সদর হাসপাতাল ৫০ বেড থেকে একশ’ বেডে উন্নীত হয়েছে অনেকদিন আগে। কিন্তু ৫০ বেডের লোকবল দিয়ে হাসপাতাল চলছে। ২৩ জন ডাক্তারের পদ আছে। ডাক্তার আছে ১৭ জন। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সহকারী সার্জন মিলিয়ে ২৪ জন ডাক্তারের পদ আছে। ডাক্তার আছে ৭ জন, ১৭ জন ডাক্তারের পদ শূন্য আছে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন সহকারী সার্জন মিলিয়ে মোট ডাক্তারের পদ সংখ্যা ৩২ জন। ডাক্তার আছে ১৮ জন, ১৪ জন ডাক্তারের পদ শূন্য রয়েছে। হরিণাকুন্ডু উপজেলায় মোট ডাক্তারের পদ আছে ৩০ জন। ডাক্তার আছে ৭ জন। এ উপজেলায় ২৩ জন ডাক্তারের পদ শূন্য আছে। সিভিল সার্জন জানান, মূলত ৩ জন ডাক্তার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সামলাচ্ছেন। কোটচাঁদপুর উপজেলায় ২৬ জন ডাক্তারের পদ আছে। ডাক্তার আছে ৮ জন। মহেশপুর উপজেলায় মোট ৩৪ জন ডাক্তারের পদ আছে। ডাক্তার আছে ৬ জন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ২০ জন ডাক্তারের পদ আছে। ১৪ জন ডাক্তার আছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৪ জন ডাক্তার থাকলেও বাস্তবে ইউনিয়ন পর্যায়ে কোন ডাক্তার নেই। সিভিল সার্জন ডাক্তার নাসরিন সুলতানা জানান, ডাক্তারদের শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ দেয়ার জন্য বারবার ঢাকাতে চিঠি লেখা হচ্ছে। কিন্তু নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না।
