‘ব্রাজুকা’য় সমর্থন ব্রাজিল প্রহরীর

আপডেট : ২৮ মে ২০১৪, ২২:১৯
ব্রাজিলের গোলরক্ষক জুলিও সিজার আসন্ন বিশ্বকাপের বল ‘ব্রাজুকা’র সমর্থনে এগিয়ে এসে খেলোয়াড়দের পারফর্মেন্সের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য দুশ্চিন্তার অবসান ঘটাতে সরব হয়েছেন। স্বাগতিক ব্রাজিলে দৃশ্যত গালি অর্থে ‘ব্রাজুকা’ শব্দটি ব্যবহূত হলেও সিজার বলেন, ‘বলটি ভাল, আজ আমরা এটার স্পর্শ পেয়েছি। আমি মনে করি, অন্য পজিশনের ফুটবলাররাও এটাকে পছন্দ করতে যাচ্ছে।’ রিও ডি জেনিরো থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে মনোরম পাহাড়ি এলাকা টেরেসোপোলিসের গ্রানজা কোমারি অনুশীলন কেন্দ্রে কথা বলেন সিজার। যদিও চার বছর আগে তিনি ও তার সতীর্থরা দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের বল ‘জাবুলানি’কে নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন। সাবেক ইন্টার মিলান ও কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের গোলরক্ষকটি জানান, সেবারের বলটি ছিল হালকা এবং আকাশেই বাঁক খেতো। সেটা ছিল ‘আতংকের, ভয়ংকর, সুপার মার্কেটে কেনা বলের মতো।’ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০১০ সালের বিশ্বকাপ জুলিও সিজারের জন্য ছিল দুর্গতির। সেবার তার ভুলগুলোর জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডের কাছে হেরে ব্রাজিলকে বিদায় নিতে হয়েছিল। এখন ৩৪ বছর বয়সী গোলরক্ষকটি এফসি টরোন্টোর হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে খেলছেন এবং জানান যে, তিনি নিজের আস্থা বাড়াতে বাড়তি পরিশ্রম করছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কখনো কখনো অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস আপনাকে ব্যর্থ করে দেবে। সেটা আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি। সেই বিশ্বকাপের পর আমরা যখন বাদ পড়ে যাই, আমার ইন্টার ও কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সে সমস্যা হয়েছিল। আমাকে আজকের এ জায়গাটায় আসতে তখন মানসিকভাবে দৃঢ়তা দেখাতে হয়। আমি এখন চার বছর আগের চাইতে অনেক ভাল অবস্থায় আছি।’ স্কোলারির আস্থার প্রতিদান দিতে চান সিজার কোচ লুই ফিলিপ স্কোলারির আস্থার প্রতিদান দিতে চান ব্রাজিল গোলরক্ষক জুলিও সিজার। তিনি ফিফার ওয়েবসাইটকে এ তথ্য জানান। কঠিন একটা মৌসুমের পরও স্কোলারি নিজেদের মাঠে ১২ জুন শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের জন্য সিজারকে দলে রেখেছেন। শুধু তাই নয়, অভিজ্ঞতায় বলীয়ান এই গোলরক্ষক নিয়মিত একাদশেই ঠাঁই পাবেন বলে আশা রাখছেন। সাবেক ইন্টার মিলান গোলরক্ষকটি বলেন, ‘আমি নিজের অবস্থানকে সংশয়ের মধ্যে রেখেই দলে এসেছি। তবে আমি শতভাগ প্রস্তুত। আমি ২০১০ সালের চাইতেও ভালো অবস্থায়, ভালো মনোযোগ ও ভালো প্রস্তুতি সহকারেই দলে এসেছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাকে নিয়ে ইন্টার মিলানে, কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সে যা যা ঘটুক না কেন, আমার মনোযোগে ঘাটতি ছিল না কখনোই। কোচরা আমার উপর আস্থা রেখেছেন বলেই আমি আজ এখানে (দলে) এসেছি।’ সিজার ব্রাজিলের হয়ে ৭৮টি ম্যাচ খেলেছেন। এবারের বিশ্বকাপে তিনিই হবেন জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার। তার পেছনেই আছেন মাইকন ও দানি অ্যালভেজ যারা সেলেচাওদের ৫০ বারের বেশি প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সাম্বাফুট।