গত বুধবার রাতে উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে সদর, চিতলী গ্রাম, দক্ষিণপাড়া, উত্তরপাড়া, কসবা ও মধ্যপাড়া গ্রামসহ ৮ গ্রামের শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত ও ১২ জন আহত হয়।
আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। বৃষ্টির সাথে শুরু হওয়া প্রচণ্ড ঝড়ে আধাপাকা ও কাঁচা বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। উপড়ে পড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি। এতে ওই গ্রামগুলো বিদ্যুিবহীন হয়ে পড়েছে। ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পাকা ধান ও ভুট্টা ক্ষেতের।
পাকুন্দিয়ায় ৪০টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
এদিকে পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, পাকুন্দিয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে ৪০টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার উপজেলার জামালপুর ও চরদেওকান্দি গ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গাছপালা, মসজিদ ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু ও ইউএনও মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান।
