দিনাজপুরের ফুলবাড়ি মাইক্রোওয়েভ (টিএন্ডটি) দপ্তরটির বেহালদশা। মূল্যবান যন্ত্রপাতি চুরি হলেও যেন দেখার কেউ নেই। এসি, অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার, সীমানা প্রাচীরের কাঁটাতার, লোহার গেট ও শতাধিক টেলিফোনের স্টিলের খুঁটি চুরি হয়ে গেছে। কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য চারটি আবাসিক কোয়ার্টার থাকলেও সেখানে কেউ থাকেন না। তিনটি কোয়ার্টারে বসবাস করছেন বহিরাগতরা। আরেকটি কোয়ার্টার পরিত্যক্ত থাকায় জানালা-দরজা, গ্রিল, চৌকাঠ চুরি হয়ে গেছে। সরেজমিনে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনে গিয়ে দপ্তরের একজনেরও দেখা মেলেনি। দপ্তরে চারজন কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ্যে দু’জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবেদুর রহমান ও আব্দুস সাত্তার এবং একজন টেকনিশিয়ান রায়হান আলী ও একজন ওয়্যারলেস ম্যান (লাইনম্যান) আব্দুল খালেক। এদের মধ্যে দু’জন দপ্তরে আসেন বেতন তোলার জন্য মাসে একবার। অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকা দপ্তরটির চত্বর আগাছাসহ ময়লা-অবর্জনায় ভরা, গরু-ছাগল চরে বেড়ায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। স্টেশনের পাঁচকক্ষের প্রত্যেকটিতে তালা ঝুলছে। মকবুল হোসেন নামের এক বহিরাগতকে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনের নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব দিয়েছেন উপ-সহকারী আবেদুর রহমান। টিএন্ডটি’র ভিতরে প্রায় সাড়ে চার বিঘা জমি চাষাবাদ করে যা আয় হয় সেটিই ঐ ব্যক্তির বেতনভাতা। উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার বলেন, আবাসিক কোয়ার্টারগুলো পরিত্যক্ত এবং দাপ্তরিক তেমন কোন কাজ না থাকায় বাড়ি থেকেই অফিস করেন। চুরি ঠেকাতেই কিছু লোককে সেখানে বসবাসের সুযোগ দেয়া হয়েছে।
