নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর বাজারে ’৭১ সালের ১৯ আগস্ট পাকবাহিনী ৫৪ জন লোককে গুলি করে হত্যা করে।
দীর্ঘদিন পর শহীদের স্মৃতি রক্ষার্থে জেলা পরিষদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য দু’লাখ টাকা বরাদ্দ দিলে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ কতিপয় ব্যক্তি গোপনে অর্ধেক টাকা উত্তোলন করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে শহীদ পরিবারের ও গোপালপুর গণশহীদ স্মৃতি সংসদের সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। গোপালপুর গণশহীদ স্মৃতি সংসদের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ জানান, ১৯৭১ সালের ১৯ আগষ্ট গোপালপুরবাসীর শোকের দিন। ২০১৩ সালে গণশহীদ স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক বরাবরে আবেদন করলে জেলা পরিষদ সংগঠনের অনুকূলে প্রাথমিক পর্যায়ে দু’লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়।
প্রকল্প দাখিল করার পূর্বেই বেগমগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সৈয়দ আবুল হোসেন বাঙ্গালী নিজে সভাপতি ও আবুল বাসার সম্পাদক দাবি করে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি দাখিল করে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করে। এ নিয়ে শহীদ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হোসেন বাঙ্গালী জানান, আবুল বাসারসহ কয়েকজন এসে আমাকে সভাপতি করে গোপালপুর বধ্যভূমি বাস্তবায়ন কমিটি করে জেলা পরিষদ থেকে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করে উত্তরা ব্যাংক চৌরাস্তা শাখায় জমা রেখেছে। এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক ডা. এ বি এম জাফরউল্যা জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি।
