প্রজাপতি প্রেমী

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৪, ১৯:২০
পথচলা শুরু হয়েছিল সেই স্কুল জীবন থেকেই। একের পর এক ভালো রেজাল্টে লেখাপড়াকে আরো আপন করে নিতে সাহায্য করছে আমিনুলকে। বাবা-মায়ের ছোট সন্তান। তাই আদরটাও একটু বেশি ছিল। বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ার আর মেজ ভাই লেকচারার জীবনে প্রভাব ফেলেছে নানাভাবে। স্কুল জীবন থেকেই শ্রেণিতে প্রথম হওয়া আমিনুলের প্রথম সাফল্যটা আসে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া একজন হিসেবে যখন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক লাভ করেন। সেই পথচলা শুরু করে আজকের আমিনুল এগিয়েছেন অনেক দূরে। দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান থেকে অনার্সে সিজিপিএ ৩.৯১ পেয়ে প্রথম স্থান এবং মাস্টার্সে ৩.৯৮ পেয়ে আবারো প্রথম স্থান অধিকার করেন। সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের লেকচারার হিসেবে। শিক্ষা জীবনের ভালফলের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন বেশ কিছু বৃত্তি ও এ্যাওয়ার্ড। এর মধ্যে ২০১৩ সালে ডিনস এ্যাওয়ার্ড, জাতীয় সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ফেলোশিম। আমিনুলের এ প্রাপ্তির তালিকায় এবার যোগ হলো সিলভার জুবিলি এ্যাওয়ার্ড এবং গোল্ডেন জুবিলি এ্যাওয়ার্ড। আমিনুল স্বপ্ন দেখেন বিশ্বখ্যাত গবেষক হওয়ার। সে ধাপে এগিয়েছেনও বেশ। ইতিমধ্যে কয়েকটি পেপার বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তার বিশেষ আগ্রহ প্রজাপতি নিয়ে। প্রাণিবিদ্যার এনটোমোলজিতে পড়াশোনা করেছেন। পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছা ভবিষ্যত্-এ। জীবনে এতদূর এসেছেন। সফলতার সঙ্গা দিবেন কিভাবে। আমিনুলের সহজাত উত্তর। পরিশ্রম করলে সফলতা অবশ্যই আসবে। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে, তবেই দেশের উন্নয়ন আর অগ্রগতি সম্ভব। এ ক্ষেত্রে তরুণদেরকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে মনে করেন তরুণ এই শিক্ষক। শুধু লেখাপড়া নয় পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়াদির ব্যাপারেও নিজেকে রাখতে হবে সম্পৃক্ত।