প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম ঘাটতি পূরণ করা ও বাজেট বাস্তবায়নকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। একই সাথে চেম্বারের দাবির প্রেক্ষিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের লোকাল এলসিতে উেস কর প্রত্যাহার করায় এ সংক্রান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন। মাহবুবুল আলম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে মানবসম্পদ উন্নয়ন, সার্বিক কৃষিখাত, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি এবং যোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও নীতিমালা গ্রহণ করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস্ এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে প্রস্তাবিত বাজেটকে কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে। এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেন বলেন, বিদ্যুত্ খাতের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিল্পায়নের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। তিনি চিংড়ি নীতিমালা প্রণয়ন এবং দেশের সকল মত্স্যজীবীকে নিবন্ধনের আওতায় আনাকে যুগোপযোগী এবং বিদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে ট্র্যাসেবিলিটি আইন বাস্তবায়নে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে মতপ্রকাশ করেন। পাশাপাশি সকল রপ্তানিখাতে উেস আয়কর পোশাকশিল্পের অনুরূপ ০.৩০ শতাংশ ধার্য করার অনুরোধ জানান।
