সার্বিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে আগামী অর্থবছরে ব্যক্তিখাতে ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো হবে। সৃষ্টি করা হবে বিনিয়োগের পরিবেশ। আর ব্যবসা ব্যয় কমাতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারও থাকবে অব্যাহত। গতকাল বাজেট বক্তৃতায় এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, বিশ্ব বাজারে মন্দা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশের চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে পিছিয়ে দিচ্ছে। এর সঙ্গে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যা দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিনিয়োগকারীরা ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করতে না পেরে খেলাপি হয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় শিল্প টিকিয়ে রেখে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানোর বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা এ বিষয়টি বলে আসলেও এটা কমানোর জন্য এতদিন কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এমন পরিপ্রেক্ষিতেই গতকাল বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী সুদহার কমানোর জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেবেন বলে ঘোষণা দিলেন।
এর আগে ‘ব্যাংক ঋণে সুদের হার ও চার্জ’ বিষয়ক এক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, সুদ হার কমানোর জন্য সবার আগে মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রয়োজন হয়। এছাড়া ঋণের প্রবাহও ভূমিকা রাখে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি অনেক কমে গেছে। আর সরকারি ঋণ কমিয়ে রেখে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহকে আমরা সবসময় উদ্বুদ্ধ করছি। সুদের হার কিভাবে কমানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা দরকার বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
