ক’দিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ। ম্যাচগুলো যথাযথভাবে আয়োজনে এর ১২টি ভেন্যুর আকাশসীমাকে ‘নো ফ্লাই জোন’ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ও গ্লোবো তাদের প্রতিবেদনে জানায়, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিযোগিতা শুরুর দিন থেকে নির্ধারিত সময়ে প্রত্যেকটি স্টেডিয়ামের সাত কিলোমিটারের মধ্য দিয়ে কোনো বিমান উড়তে পারবে না। এই সিদ্ধান্তের কারণে আটটি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যাহত হবে। কারণ এগুলো বিশ্বকাপ ভেন্যুর নিকটে, আবার কোনোটি সীমার কাছাকাছি। নতুন করে ১৫০টি পথ তৈরি করা হলে অন্তত ৮০৫টি ফ্লাইট বাতিল করতে হবে। জিওএল, টিএএম, আভিয়াঙ্কা ও আজুলে যাওয়া আসায় ১৬ হাজার যাত্রীর সমস্যা হতে পারে। রিও, বেলো হরিজন্তে, কুইয়াবা, মানাউস, ফোর্তালেজা, রেসিফ, সালভাদোর ও কুরিতিবায় এর প্রভাব পড়বে ভালোভাবে। রিপোর্টে জানানো হয়, প্রত্যেকটি ভেন্যুর উপর নির্ভর করবে কতক্ষণ বিমান চলাচল করতে পারবে না। তবে সামরিক বিমান এই নিয়মের আওতার বাইরে।
