নোয়াপাড়া চা বাগানে শ্রমিক ধর্মঘট অব্যাহত

আপডেট : ২৭ মে ২০১৯, ২০:০৬

মাধবপুরের নোয়াপাড়া চা বাগানে শ্রমিক ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় ‘বেআইনি শ্রমিক ধর্মঘট’ উল্লেখ করে নোয়াপাড়া চা বাগান বন্ধ ঘোষণা করেছেন। সোমবার দিনব্যাপী ফ্যাক্টরি ও মন্দির এলাকায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছে। নোয়াপাড়া চা বাগানের ম্যনেজার ফখরুল ইসলাম ফরিদী ও  টিলা বাবু পণ্ডিত রবিদাসের অপসারণের দাবিতে গত শনিবার থেকে  চা বাগানে সকল প্রকার কাজ কর্ম বন্ধ রয়েছে। ধর্মঘট শুরু করেছে সাড়ে ৯শ শ্রমিক।

সোমবার বিকালে ম্যানেজার বাগানের নোটিশ বোর্ডে বাগান বন্ধের নোটিশ লাগিয়েছেন। নোটিশে লেখা রয়েছে, ‘সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, বাগানের স্থায়ী দফায় শ্রমিক নিয়োগের বিষয়কে কেন্দ্র করে শ্রমিকরা বেআইনি ধর্মঘট পালন করায় বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারা মোতাবেক নোয়াপাড়া চা বাগান বন্ধ ঘোষণা করা হইলো।’

এর আগে নোয়াপাড়া চা বাগান অফিস কক্ষে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে দীর্ঘ সময় ধরে সভা অনুষ্টিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম রাজু আহম্মেদ, শ্রম অধিদপ্তরের উপ পরিচালক রেজিষ্টার অব ট্রেড ইউনিয়ন নাহিদুল ইসলাম, মাধবপুর থানা অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমার চক্রবর্তী, সহকারী ডিডি এল মোসাহিদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াসিম তালুকদার, দেউন্দি চা বাগান ম্যানাজার রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, লস্করপুর ভ্যালী সভাপতি রবীন্দ্র গৌড়।

চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি কমেট নায়েক ও সম্পাদক মনি লাল বাউড়ি জানান, দীর্ঘদিন ধরে নোয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিকদের  ৩৫ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলন এখন ম্যানেজার ও বাবুর অপসারণের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীছড়িতে সাঁওতালদের শ্মশানসহ ২০ একর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

এ বিষয়ে নোয়াপাড়া চা বাগান ম্যানেজার ফখরুল ইসলাম ফরিদী বলেন, ‘শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনি কোনো খারাপ ব্যাবহার করেননি। বরং সমস্যা সমাধানের জন্যে সভায় ক্ষমা চেয়েছেন। তারপরও শ্রমিকরা সন্তুষ্ট না হওয়ায় তিনি শ্রম আইন অনুযায়ী নোয়াপাড়া চা বাগান বন্ধ ঘোষণা করেছেন। 

ইত্তেফাক/নূহু