ত রু ণী ক থা

জেনিফার বিনতে জামাল

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৪, ২০:৪৫
মেয়েরা আজ সমাজ ও দেশের উন্নয়নে অনেক ভূমিকা রাখছে। এগুলো নিয়ে কোন কথা নেই। প্রচলিত মাত্র তিন বিষয় নিয়ে কথা বলতে ইচ্ছা করছে। তার মধ্যে বহুল আলোচিত বিষয় ইন্ডিয়ান সিরিয়াল। এ বিষয়ে তো অনেক বাণীও রচিত হয়ে গেছে। কি কি কথা প্রচলিত আছে তা তো সবাই জানে। কিন্তু এটা কেন কেউ ভেবে দেখে না যে কেন এ অবস্থা হলো? এটার দায়ভার কিন্তু সবাইকেই নিতে হবে। অনেক মেয়েকে মুক্ত আকাশ দেখার ইচ্ছাটাও কল্পনাতে পূরণ করতে হয়। তার কাছে একটুকরো আকাশ থাকে না। পরিবারের সদস্যদের সময় থাকে না তাকে দেয়ার মতো। তাদের বেঁচে থাকার জন্য তো কিছু লাগবে। দেশের টিভি দেখতে বসলে কোন্ অনুষ্ঠান হচ্ছে বিরতিতে সেটা ভুলে যেতে হয়। ইন্ডিয়ান সিরিয়াল অবশ্যই সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু এর বিকল্প ব্যবস্থা তো করতে হবে। বাণী আবিষ্কার না করে এদিকে নজর দিলেই তো হয়। কিন্তু তখন আবার বাণীদাতাদের বিনোদন হবে না। যে বিষয়টা নিয়া রসিকতায় মাততে সবাই খুব ভালোবাসে সেটা হলো সাজগোজের। মেয়েরা নাকি দীর্ঘ সময় ধরে সাজে বাইরে বের হবার সময়। এটা সবসময় ঠিক না। খুব অল্প সময়েও তারা তৈরি হতে পারে প্রয়োজন হলে। আর সময় থাকলে বেশি সময় নিয়ে সাজলে সমস্যা কি? এক লেখক বন্ধুর লেখা থেকে জানলাম-বেড়াতে যাবার এক থেকে দেড়ঘণ্টা ধরে তৈরি হয়। তাহলে কথাগুলো শুধু মেয়েদের জন্য কেনো? প্রত্যেক মানুষই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করে। এখনকার মেয়েরা নাকি অনেক দুষ্টু। এক্ষেত্রে একটি মেয়ের দুষ্টুমির কথা মনে পড়ে। তার দিকে যদি কোন ছেলে তাকিয়ে থাকে তবে সে সুন্দর করে সেই ছেলেটির পাশে গিয়ে বসে বলে-কি দেখছেন? এখন মেয়েরা এগুলো অহরহই করে। আর করাই উচিত। এখানে আরেকটা কথা বলতে ইচ্ছা করছে। এখন কোন কথা আসলেই যেটা সবার আগে আসে সেটা হচ্ছে মেয়েদের পোশাকের কথা। এটা সত্য যে কিছু পোশাক খুব দৃষ্টিকটু। কিন্তু এটা তো সবক্ষেত্রে হয় না। যাদের পোশাকের স্টাইল খারাপ লাগবে তাদের এড়িয়ে চললেই হয়। কিন্তু মেয়েদের কোন বিষয়ে কথা আসলেই কেনো পোশাক নিয়ে কথা আনতে হবে। যে সমস্যার কথাই আসুক সমাধানের দিকে না গিয়ে একটাই কথা আনা হয় আর সেটা তাদের পোশাক। অনেক কথা, অনেক সমস্যা, অনেক কিছু, কিছুই সমাধান হবে না যদি না সবার মন-মানসিকতার পরিবর্তন হয়।