দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে এবারও বর্ষাভাগ্য মন্দ হবে এমন আভাস মিলছে। ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ। বর্ষা দেরিতে আসলে রোপা আমন চাষ নাবি অর্থাত্ বিলম্ব হবে। নির্ধারিত সময়ের ৫ দিন পর ৬ জুন সকালে মৌসুমী বায়ুর একটি অক্ষ ভারতের কেরলে পৌঁছেছে। কবে এ বায়ু দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ও রাজশাহী বিভাগে পৌঁছাবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না আবহাওয়া দপ্তর।
এ অঞ্চলে বর্ষার মতিগতি কেমন হবে তাও বলা যাচ্ছে না। বর্ষা বিলম্বে কেরলে এসেছে। তারপর বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল ও রাজশাহী বিভাগে পৌঁছাতে বিলম্বের সম্ভাবনা। মে মাসের শেষ দিকে দুটি নিম্নচাপের প্রভাবে মানুষ স্বস্তির বৃষ্টি পায়। নিম্নচাপ বিদায় নিলে ফের ভ্যাপসা গরম শুরু হয়। মানুষের অস্বস্তি বেড়েছে।
ঢাকা আবহাওয়া দপ্তরের আবহাওয়াবিদ সানাউল হক বলেন, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরে ঘাম ঝরছে। তিনি জানান, এবার দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে বর্ষা আসতে বিলম্ব হবে। বর্ষার বর্ষণ শুরু না হওয়া পর্যন্ত ভ্যাপসা গরম যাবে না।
মৌসুমী বায়ুর অপর শাখাটি নির্ধারিত সময়ের ২ দিন আগে ১৮ মে ভারতের আন্দামানে পৌঁছেছে। সেখান থেকে মিয়ানমার হয়ে চট্টগ্রাম উপকূলে পৌঁছেছে। এ শাখাটির গতিও ধীর বলে আবহাওয়াবিদ সানাউল হক জানান।
মৌসুমী বায়ুর উপর চাষাবাদ নির্ভর করে। বৃষ্টির পানিতে কৃষক রোপা আমন বীজতলা তৈরি করে থাকে। তারপর ভারি বৃষ্টি হলে জমি কাদা করে চারা রোপণ শুরু হয়। কৃষক বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করছেন। রোপা আমন চাষ বিলম্ব হওয়ার আশংকা করছেন তারা।
