ছাত্রলীগ নেতা সৌমেনের স্বীকারোক্তি

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৪, ২৩:০৪
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র ছাত্রদল কর্মী তাওহিদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি সৌমেন দে। সৌমেনকে শনিবার রাত সোয়া দশটার দিকে সিলেট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। গতকাল রবিবার বিকালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর বিচারক মো. সাহেদুল করিমের খাস কামরায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সৌমেন। একই সাথে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সহযোগীদের নামও প্রকাশ করেছেন। পরে আদালত সৌমেনকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। গত বুধবার রাতে ওসমানী মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ৪র্থ বর্ষের ছাত্র এবং কলেজ ছাত্রদলের আপ্যায়ন বিষয়ক সমপাদক তাওহিদুল ইসলামকে ওসমানী মেডিকেল কলেজের আবু সিনা ছাত্রাবাসের ১০০৩ নং কক্ষে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়। পরবর্তীতে ওসমানী হাসপাতালে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বিএনপি ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য কলেজ ছাত্রলীগকে দায়ী করা হয়। ইতিমধ্যেই ছাত্রলীগের ২০ নেতা-কর্মীর নামে হত্যা মামলা করা হয়। এ মামলায় ছাত্রলীগের মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি সৌমেন দে এজাহারভুক্ত আসামি। এদিকে কলেজ কর্তৃপক্ষ ১০ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকেও ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।