জুলাইয়ে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হবে

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৪, ২৩:১৭
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, নিজস্ব অর্থায়নে আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুর চূড়ান্ত কাজ শুরু হবে। পদ্মা সেতুর কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড-১/২ এবং মূল সেতুর এলাইনমেন্টে অবস্থিত অবৈধ স্থাপনাগুলো ১০ দিনের মধ্যে অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি। গতকাল রবিবার বনানীস্থ সেতু ভবনের সভাকক্ষে পদ্মা সেতুর কন্টস্ট্রাকশন ইয়ার্ড-১/২ এবং মূল সেতুর এলাইনমেন্টে অবস্থিত অবৈধ স্থাপনা অপসারণ বিষয়ক এক সভায় বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মিত হলে ১৬ কোটি মানুষের কর্মযজ্ঞ বেড়ে যাবে। জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করে পদ্মা সেতুর উভয় পাড়ে নির্মাণ করা অবৈধ স্থাপনার জায়গা খালি করে দিতে হবে এবং এখনো যারা ক্ষতিপূরণ পায়নি তাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, কার্যাদেশ প্রাপ্ত চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি তাদের লোকবল নিয়ে সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করেছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ কর্মযজ্ঞ উপলক্ষ করে একটি প্রতারক চক্র লোক নিয়োগের নামে প্রতারণা করছে। লোক নিয়োগে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ কিংবা সেনাবাহিনীর কোনো এখতিয়ার নেই। এটি কার্যাদেশ প্রাপ্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিষয়। এ প্রতারক চক্রকে দমন করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। সকলের সহযোগিতায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধ সম্ভব যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়ক দ?ুর্ঘটনা একটি জাতীয় সমস্যা। দলমত নির্বেশেষে সকলের সহযোগিতায় এটা দূর করা সম্ভব। জনগণের স্বাভাবিক মৃত্যু নিশ্চিত করা সম্ভব। শনিবার বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) উদ্যোগে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির শোভাযাত্রা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে তা খুব শিগগিরই ঠিক হয়ে যাবে। নিরাপদ সড়কের আন্দোলন সেলিব্রেটি, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং জনসমাজকে সঙ্গে নিয়ে করতে হবে। বাজেটে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে বরাদ্দ হয়েছে তা সম্পদের সীমিত আকারের মধ্যে হয়েছে। কারণ আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এর মধ্যেই পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও জেলা সড়কের বরাদ্দ রয়েছে। তিনি বলেন, জেলা সড়কের বরাদ্দ আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল। এই বরাদ্দে যাতে দুর্নীতি না হয় এবং সদ্ব্যবহার হয় সেজন্য টিমওয়ার্কের মধ্যে কাজ করা হচ্ছে। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিআরটিএ-এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, পরিচালক (প্রশাসন) মশিউর রহমান, পরিচালক এন্ড পোস্টম্যান মতিউর রহমান প্রমুখ। পরে শোভাযাত্রা থেকে চালক, যাত্রী, পথচারী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সকলের কাছে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।