বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ সরকারকে বাধ্য করতে হবে একটি নির্বাচন দিতে। যে নির্বাচনে সকল দল অংশ নিবে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গতকাল সোমবার মুক্তিযোদ্ধা দল এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নতুন সংগ্রামের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।
ফখরুল বলেন, গোটা দেশ সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী হত্যা গ্রেফতার বাণিজ্য করছে। বিভিন্ন মামলায় অজ্ঞাত আসামিদের নাম দিচ্ছে। পরবর্তী সময়ে টাকার বিনিময়ে লোকজন ছাড়া পাচ্ছে।
‘সামরিক একনায়কদের মুখে বাজেটের সমালোচনা শোভা পায় না’ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরাতে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কুত্সা রটানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। জনগণ বুঝতে পারছে, র্যাব এখন জনগণের পক্ষে নয়। তাই র্যাব বিলুপ্তির দাবি করা হয়েছে।
হাফিজউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনপিই হচ্ছে একমাত্র স্বাধীনতা যুদ্ধের দল। যিনি এ দলকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তিনি দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে দেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে নামিয়ে নিজেই রণাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
