জোকস

আপডেট : ১০ জুন ২০১৪, ১৯:৫৪
 প্রথম বন্ধু :আচ্ছা তোর কি মনে হয় মেয়েদের সময়জ্ঞান আর পুরুষদের সময়জ্ঞানের মধ্যে কোনো মিল আছে? দ্বিতীয় বন্ধু :সব বিষয়ের কথা বলতে পারব না। তবে একটা বিষয়ে উভয়ের সময়জ্ঞানেরই দারুণ মিল আছে। প্রথম বন্ধু :কোন বিষয়? দ্বিতীয় বন্ধু :মেয়েদের বলা ‘আমি ১৫ মিনিটের মধ্যে রেডি হচ্ছি’ এবং পুরুষদের বলা ‘আমি ১৫ মিনিটের জন্য বাইরে যাচ্ছি’ একই সমান।  প্রথম বন্ধু :শুনেছিস নাকি আমার এক বন্ধু তো ময়নামতিতে গিয়ে প্রায় পড়া যায় না এমন এক শিলালিপির পাঠোদ্ধার করে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। দ্বিতীয় বন্ধু :তা তোর এই বন্ধু নিশ্চয়ই খুব বড় প্রত্নতত্ত্ববিদ। প্রথম বন্ধু :আরে নাহ! ও তো গেল বিশ বছর ধরেই একটা ওষুধের দোকানে চাকরি করছে।  ‘নিয়োগ দেয়া হইবে’ এমনি বিজ্ঞাপন দেখে বন অফিসে যোগাযোগ করতে গেল পল্টু। বন অফিসের কর্মকর্তা এদিক-ওদিক দেখে নিয়ে পল্টুর কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, ‘আপনার কাজটা খুবই গোপনীয়! শুনুন, আমাদের এখানকার বনে পশুপাখির সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে, তাই পর্যটকের সংখ্যাও কম। পর্যটকদের আকর্ষণ করতে আমরা আপনাকে একটা বাঘের পোশাক পরিয়ে দেব, সেটা পরে আপনি বনে ঘুরে বেড়াবেন। রাজি আছেন কি না, বলেন?’ সাত-পাঁচ ভেবে নিয়ে পল্টু উত্তর দিল, ‘রাজি’! অতঃপর বাঘ সেজে বনে ঘুরে বেড়ায় পল্টু। মাঝেমধ্যে দু-একটা মানুষকে ভয়ও দেখায়। ভারি মজায় দিন কাটছিল তার। কিন্তু হঠাত্ একদিন! বনে ঘুরতে ঘুরতে বাঘরূপী পল্টু পড়ল এক ভালুকের সামনে! আর যায় কোথায়! ‘মা গো, বাবা গো’ বলে তার সে কী চিত্কার! ধীর পায়ে পল্টুর দিকে এগিয়ে এল বিকট দর্শন ভালুকটা! পল্টুর কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, ‘চুপ করো গর্দভ! নইলে দুজনেরই চাকরি যাবে!’