নবাগত প্রকৌশলীদের জন্য

আপডেট : ১১ জুন ২০১৪, ২১:২৮
তথ্যপ্রযুক্তির জোয়ারে আজ সকল বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্মুক্ত। গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা আর জরাজীর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রত্যক্ষ তত্ত্ববধানে পরিচালিত হয়ে আসছে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিএসডিআই)। এই প্রতিষ্ঠানটি তার পরিচালনার বিভিন্ন ধাপে ধরে রেখেছে মান আর স্বকীয়তা। ফলে বাংলাদেশের প্রথম কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্জন করেছে ভারতের (আইআইটি) কর্তৃক এডুকেশন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১২। আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ কাউন্সিলের সাথে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার মান উন্নায়নের জন্য যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে সাধারণ শিক্ষায় যেখানে চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, সেখানে কর্মনির্ভর শিক্ষায় শিক্ষিত হলে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ অনেক বেশি পাওয়া যায়। এ কারণেই এখন কর্মমুখী শিক্ষাকে অনেক বেশি গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে। আর কর্মমুখী শিক্ষার মধ্যে কারিগরি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর গ্রহণযোগ্যতাই বেশি। কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে আমাদের দেশে স্বয়ংক্রিয় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষ করে স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কিংবা অপটিক্যাল ফাইবারসহ ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্কিংয়ে কম্পিউটার ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রয়েছে অনন্য অবদান। আর এই সেক্টরটিকে সমৃদ্ধ করে চলেছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করা নবাগত প্রকৌশলীরা। তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষার এই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই বিএসডিআই যাত্রা শুরু করে ২০০৩ সালে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রোগ্রামে ডিপ্লোমা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সফলভাবে পরিচালনা করে আসছে। বিএসডিআই পরিচালিত কোর্সের মধ্যে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার, টেলিকমিউনিকেশন, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স, টেক্সটাইল, সিভিল প্রভৃতি প্রোগ্রম উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয়ে ডিপ্লোমা অর্জনের পরপরই যেমন চাকরির সুযোগ রয়েছে, তেমনি পরে রয়েছে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ। এখানকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম ৪ বছর মেয়াদি ৮ সেমিস্টারে সম্পন্ন হয়। প্রতি সেমিস্টার ৬ মাসের, যা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করে শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং সনদপত্র লাভ করে। এসব ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ২.৫ পেয়ে উত্তীর্ণ। এইচএসসি উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ বা পরীক্ষার্থীরাও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বর্তমানে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার, টেলিকমিউনিকেশন, ইলেক্ট্রিক্যাল, টেক্সটাইল গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি চলছে। যোগাযোগ :রোড-১২, বাড়ী-২/বি, মিরপুর রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা।