মেহেরপুরে বাস উল্টে ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ট্রাক-টেম্পুর মুখোমুখি সংঘর্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আটজন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। শাহজাদপুরে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রায় ৩০ মিনিট বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এসময় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশের অনুরোধে পরে তারা অবরোধ তুলে নেয়।
মেহেরপুর প্রতিনিধি জানান, শহরের কলেজ মোড়ে দ্রুত গতির একটি যাত্রীবাহী লোকাল বাস উল্টে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। সকাল পৌনে দশটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে বাসের হেলপার হাসান (২৫) ও কুষ্টিয়ার পূর্ব মজমপুরের শরিফুল ইসলাম (৫৫) নামে এক যাত্রীর পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত অন্য দুইজন যাত্রীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত ও আহতদেরকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া থেকে মেহেরপুরগামী যাত্রীবাহী লোকাল বাসটি দ্রুত গতিতে কলেজ মোড়ে বাক নেয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, গতকাল বিকালে শাহজাদপুর উপজেলার মশিপুর ইট ভাটার সামনে বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে সিএনজি চালিত টেম্পুর সঙ্গে একটি সারবাহী দশ চাকার ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত ও দুইজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের হরিরামপুর গ্রামের করিমের ছেলে হাসান (১০), একই উপজেলার চরকাদাই গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে সেলিম (৩০) ও টেম্পু চালক উল্লাপাড়া উপজেলার ব্রহ্মকাপালি গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে শামছুল (৩৫)। নিহত অপর একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত হাসানের পিতা আব্দুল করিমসহ আহত দুইজনকে উল্লাপাড়ার বেঙ্গল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা সবাই টেম্পুর যাত্রী ছিলেন।
নেত্রকোনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিহত
নেত্রকোনা প্রতিনিধি জানান, জেলা শহরের আনসার অফিসের গেইটের সামনে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাল বোঝাই ট্রাকের সাথে মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবের ফ্যাশন ডিজাইনের ছাত্র সানি খান(২৫) ঘটনাস্থলেই নিহত এবং তার অপর দুই বন্ধু নেত্রকোনা সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্সের ছাত্র শিপলু (২৫) ও ফরিদ(২৫) মারাত্মক আহত হয়েছে। তাদেরকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। সানির বাড়ি পৌরসভার কাটলীতে।
