মিষ্টির দোকানে গিয়ে এক ছেলে দোকানীকে বললো, ‘গোলমাল লাগার আগে দু’টি মিষ্টি দিন তো।’ মিষ্টি দু’টি ঝটপট খেয়ে নেওয়ার পর ছেলেটি আবারও দোকানাদারের দিকে তাকিয়ে বললো, ‘গোলমাল লাগার আগে আমাকে আরও দু’টি মিষ্টি দিন তো।’ দোকানী এবারও আগের মতো মিষ্টি এনে দেবার পর ছেলেটি যথারীতি দ্রুততার সাথে মিষ্টি খেয়ে নিল এবং বললো, ‘গোলমাল লাগার আগে এক গ্লাস পানি দিন তো।’ এবার দোকানী বেশ কৌতুহল নিয়েই জানতে চাইলেন, ‘আশ্চর্য বিষয় তো, তুমি প্রত্যেক কথার আগে গোলমাল গোলমাল করছো কেন? কিসের গোলমাল লাগবে? কখন লাগবে?’
এবার ছেলেটি তড়িঘড়ি করে উঠতে উঠতে বললো, ‘এই যে আমি যখন আপনাকে বলবো যে আমার কাছে কোনো পয়সাই নেই তখন থেকেই গোলমালটা লাগবে।’ এই বলেই এক ছুটে দোকানের বাইরের দিকে দৌড় দিল সে।
বাজার করে ফিরছিলেন রহমান সাহেব। পথে প্রতিবেশী হাসান সাহেবের সাথে দেখা হতেই তিনি বেশ আক্ষেপ করে বলে উঠলেন, ‘বুঝলেন রে ভাই, এই দেশে আর মনে হয় থাকা গেল না। পদে পদে মানুষের যে অসততা আর জালিয়াতি তাতে জীবন একেবারে বিষিয়ে উঠেছে। আজ মাছ কিনতে গেলাম আর মাছওয়ালাও কিনা আমাকে জাল একশ টাকা ধরিয়ে দিল!’
হাসান সাহেব বেশ খানিকটা সমবেদনার সুরেই বললেন, ‘তা কোথায় সেই জাল নোটটা দেখি। ব্যাটারা কেমন করে নোট জাল করে সে সম্পর্কেও তো সাবধান হতে হবে তাই না?’
উত্তরে রহমান সাহেব বললেন, ‘ইয়ে মানে নোটটা তো আমার কাছে নেই। আমি আবার ওটা মুদির দোকানে চালিয়ে দিয়েছি!’
