সৌরবিদ্যুতে আলোকিত কাউখালীর প্রত্যন্ত গ্রাম

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৪, ২১:০৭
কাউখালী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলো এখন রাতেও আলোয় ঝলমল করে। উপজেলার ধনী-গরীব সবাই যে যার প্রয়োজনমতো ব্যবহার করছে সৌর বিদ্যুত্। উপজেলার ১০ হাজারের বেশি মানুষের প্রয়োজন মেটাচ্ছে এই সৌরবিদ্যুত্। সড়কবাতি জ্বালানোর কাজেও সৌরশক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে কমেছে রাতে চুরি-ডাকাতির ঘটনা। সৌর বিদ্যুতের প্যানেল স্থাপনে ঝামেলা নেই। কর্মীদের খবর দিলেই তারা বাড়িতে গিয়ে প্যানেল স্থাপন করে দেন। খরচও তুলনামূলক অনেক কম। সৌরশক্তি ব্যবহারকারীরা জানান, রাতে বাতি জ্বালানোসহ বৈদ্যুতিক পাখা (ছোট ডিসি ফ্যান) ও টেলিভিশন চালানোর মতো সুবিধা পাওয়ায় সৌর বিদ্যুত্ এ অঞ্চলে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাছাড়া যেসব এলাকায় বিদ্যুত্ পৌঁছতে এখনো সময়ের দরকার, ওই এলাকাগুলোতে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত সবাই সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার শুরু করেছে। আটটি বেসরকারি সংস্থা সৌর বিদ্যুতের সংযোগ দিচ্ছে। ১৮টি গ্রামে ২০০৩ সাল থেকে সৌর বিদ্যুত্ নিয়ে কাজ করছে বেসরকরি সংস্থা গ্রামীণ শক্তি, ব্র্যাক, ব্রিজ, সৃজনী বাংলাদেশ ও পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন। উপজেলার ধাবড়ী, সোনাকুর, কেশরতা, আমরাজুড়ি, ডুমজুড়ি, মেঘপাল, হোগলবেতকা, হরিণধরা, বিড়ালজুড়ি, বাশুরি, লাঙ্গুলীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার গ্রাহক সৌর বিদ্যুতের আওতাধীন রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশ কয়েকজন বিপণন কর্মকর্তা জানান, ১২ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে চাহিদা ও বিদ্যুত্ ক্ষমতা অনুযায়ী সৌরশক্তি ব্যবস্থা স্থাপন (ইনস্টল) করেন তারা। মোট দামের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টাকা এককালীন পরিশোধ করে বাকি টাকা ৩০ থেকে ৪০ কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ থাকায় সৌর শক্তি ব্যবস্থা গ্রাহকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। লোডশেডিং থেকে রেহাই পেতে শহর এলাকার অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সৌর বিদ্যুত্ স্থাপন করছে।