অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস-এ আসছে মাইক্রোসফটের কর্টানা!

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৪, ২১:২৭
স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট পিসির মতো বহনযোগ্য ডিভাইস মাইক্রোসফটের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্ভিস কর্টানা সাড়া ফেলতে সমর্থ হয়েছে। অ্যাপলের সিরি এবং গুগলের গুগল নাউ-এর আদলে তৈরি করা হলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিক থেকে কর্টানাকে উন্নততর বলেই রায় দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা কর্টানাকে এবারে উইন্ডোজের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমের বাইরে নিয়ে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে মাইক্রোসফট। স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট পিসির অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড একচ্ছত্য আধিপত্য বজায় রেখেছে। আর এর পরের স্থানটিতেই রয়েছে অ্যাপলের আইওএস। এই দুই অপারেটিং সিস্টেমে কর্টানাকে নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে মাইক্রোসফট। সিয়াটলে অনুষ্ঠিত এমএমএক্স অ্যাডভান্সড সার্চ-মার্কেটিং কনফারেন্সে এক বক্তব্যে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন উইন্ডোজ ফোনের গ্রুপ প্রোগ্রাম ম্যানেজার মার্কাস অ্যাশ। অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস-এ কাজ করতে গিয়ে কর্টানা খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না বলেও জানান তিনি। তাছাড়া উইন্ডোজ ফোন কর্টানা যেভাবে একীভূত হয়ে কাজ করতে পারে, অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস প্ল্যাটফর্মেও সেটি সেভাবেই কাজ করতে পারবে কি না, তা নিয়েও রয়েছে সন্দেহ। তবে এসব সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মাইক্রোসফটের প্রোগ্রামাররা। কবে নাগাদ এই গবেষণা সফল হতে পারে, সে বিষয়ে অবশ্য কোনো ধারণা দিতে পারেননি অ্যাশ। কর্টানার প্রতিযোগী হিসেবে গুগলের সিরি গুগল সার্চ অ্যাপের মাধ্যমে আইওএস ডিভাইস কাজ করে যাচ্ছে। তবে অ্যান্ড্রয়েডে যতটা স্বচ্ছন্দ্যে কাজ করছে গুগল নাউ, আইওএস ডিভাইসে ততটা একীভূত হয়ে কাজ করছে না এটি। ক্রস-প্ল্যাটফর্মে সফটওয়্যারজনিত সীমাবদ্ধতার কারণেই এমনটি হচ্ছে। একই কথা প্রযোজ্য কর্টানার ক্ষেত্রেও। দেখার বিষয়, সেই সীমাবদ্ধতা মাইক্রোসফট অতিক্রম করতে পারে কি না।