রাজারহাট বাজারে সামান্য বৃষ্টিতেই হয় জলাবদ্ধতা

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৪, ২০:৫৮
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে উন্নয়ন হয়নি। জানা যায়, প্রতি বছর উপজেলায় ১৬টি হাট ইজারা দেয়া হয়। এসব হাট ইজারা দিয়ে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব পায়। রাজারহাট সদর বাজার, ডাংরারহাট, সিংগারডাবরী হাট, নজিমখাঁ হাট, রতিগ্রাম হাট, ফরকের হাট ও কালির হাটসহ ৭টি হাট-বাজারে পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে কাদা ও পানি জমে থাকে। ছাউনি না থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পাইকার ও মহাজনরা নিজ খরচে পলিথিন কাগজ টিন দিয়ে মালামাল ক্রয়-বিক্রয় করে। এসব হাট-বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত কোন পায়খানা নেই। অন্যদিকে বিক্রেতাদের অভিযোগ নির্ধারিত হারের তুলনায় ইজারাদাররা অতিরিক্ত খাজনা আদায় করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।