কমলগঞ্জ উপজেলার হাটবাজারসমূহে এখন মৌসুমী ফলে ভরপুর। কাঁঠাল,আনারসের বাজার এখন চড়া দাম। চলতি বছরে সময়মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ফলন আশানুরূপ হয়নি। তাছাড়া কাঁঠাল ও আনারসের পরিসর ছোট থাকায় দামও কিছুটা চড়া। গতবছরের তুলনায় বাজারে মৌসুমী ফলের সরবরাহ কম দেখা গেছে।
কমলগঞ্জ উপজেলার কাঁঠাল ও আনারস উত্পাদনকারী চা বাগান ও টিলা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অনাবৃষ্টি, খরা ও প্রচণ্ড রুদ্রতাপের কারণে কোথাও কাঁঠালের ফলন ভাল হয়নি। গতবছরের তুলনায় এবছর গাছে অর্ধেক ফলন হয়েছে। কাঁঠাল ও আনারসের কিছুটা ফলন হলেও এসব ফলের আকৃতি খুবই ছোট। কমলগঞ্জের মৌসুমী ফলের বাজারের কাঁঠাল ও আনারসের সরবরাহ গতবছরের তুলনায় অনেক কম বলে বাজারদর চড়া। উপজেলার বড় হাট সীমান্তবর্তী আদমপুর বাজার। কাঁঠাল ও আনারসের জন্য জেলার মধ্যে আদমপুর বাজারের সুখ্যাতি রয়েছে। এখানে প্রতি সোম ও শুক্রবার বাজার বসে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা গাড়ি নিয়ে আদমপুর বাজারে আসেন।
আদমপুর বাজারের সাবেক ব্যবসায়ী নেতা নূরউদ্দিন জানান, সোম ও শুক্রবারে এখানে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মৌসুমী ফল বিক্রি হয়। তবে সময়মত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবছর ফল বাজারে কম থাকায় ব্যবসায়ীরা একটু চড়া মূল্যে বিক্রি করছেন। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শামছুউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রথম অবস্থায় কাঁঠালের জন্য মাঝারি বৃষ্টি প্রয়োজন। আর বৃষ্টি না হলে অন্ততপক্ষে গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিতে হয়। অনাবৃষ্টি ও প্রচণ্ড খরার কারণে কাঁঠাল উত্পাদনকারী কৃষকরা সময়মত গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিতে পারেননি। তাছাড়া গাছে আসা কাঁঠালগুলো বৃষ্টির পানির ছোঁয়া পায়নি। তাই এবার কাঁঠালের আকৃতি কিছুটা ছোট হয়ে গেছে।
