শিক্ষার মান উন্নয়নে নয়া কর্মসূচির যাত্রা শুরু

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৪, ২১:৫৭
মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গুণগত মানসম্পন্ন করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এডিবি ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ১০ বছর মেয়াদী সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) শুরু হয়েছে। সেসিপ-এর কার্যক্রম জানুয়ারি ২০১৪ থেকে শুরু হয়েছে এবং ২০২৩ সালে শেষ হবে। শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল নায়েম মিলনায়তনে কর্মশালার মাধ্যমে প্রোগ্রামের উদ্বোধন করেন। প্রোগ্রাম পরিচালক ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে শিক্ষাসচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশন-এর ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ওলেগ টনকেনোজনকভ, সেসিপ-এর যুগ্ম-প্রোগ্রাম পরিচালক রতন কুমার রায় বক্তৃতা করেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত সাড়ে ৫ বছরে শিক্ষাখাতে যুগান্তকারী অনেক অগ্রগতি ঘটেছে। শিক্ষার বহুসূচকে সংখ্যাগত অগ্রগতি দেশ-বিদেশে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শিক্ষার গুণগত মান অর্জন। তথ্য অনুযায়ী, সেসিপ প্রোগ্রামের তিনটি ভাগে এডিবি’র আর্থিক সহযোগিতার পরিমাণ ৫০০ মিলিয়ন ডলার এবং বাংলাদেশ সরকারের ১৬.৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে প্রথম ভাগে (২০১৩-২০১৭) এডিবি’র আর্থিক সহযোগিতার পরিমাণ ৯০ মিলিয়ন এবং বাংলাদেশ সরকারের ১১৭ মিলিয়ন ডলার। প্রোগ্রামটির মূল লক্ষ্য হলো-মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গুণগত মানসম্পন্ন, দক্ষ ও সকল শ্রেণির সমঅংশগ্রহণমূলক একটি পর্যায়ে উন্নীত করা, যা দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হবে। প্রোগ্রাম এপ্রোচের কারণে সেসিপ-এর কার্যক্রম কেবল আর্থিক অগ্রগতির মধ্য দিয়েই শেষ হবে না বরং মূল প্রক্রিয়ার সাথে কার্যক্রমসমূহ একীভূত হয়ে যাবে। ফলে কার্যক্রমসমূহের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। প্রোগ্রামের প্রথম ভাগে (২০১৩-২০১৭) কারিকুলাম রিভিউ ও উন্নয়ন, বিভিন্ন বিষয়ে (যথা: কারিকুলাম বাস্তবায়ন, পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়ন) মোট ৭ লাখ ৬৩ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান, ১০০টি গ্রামীণ বিদ্যালয় ও ৩২টি মডেল মাদ্রাসাসহ মোট ২০০টি বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ব্যবহারিক বিজ্ঞান শিক্ষা সুদৃঢ়করণ বিষয়ক পাইলটিং প্রোগ্রাম গ্রহণ, ১০ হাজার বিদ্যালয়ে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ, ৬৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (৫১২টি বিদ্যালয় ও ১২৮টি মাদ্রাসা) পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ই-লার্নিং মডিউল/আইসিটি শিক্ষা পাইলটিং এবং ১৬ হাজার কম্পিউটার সরবরাহ এবং ৬৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (৫১২টি বিদ্যালয় ও ১২৮টি মাদ্রাসা) তথ্য কেন্দ (ইনফরমেশন হাব) নির্মাণ করা হবে।