তাসকিন আহমেদের অভিষেকে অবিশ্বাস্য বোলিং, পেসারদের তাণ্ডব এবং ভারতকে মাত্র ১০৫ রানে অলআউট করা।
এরপর অন্তত ম্যাচ হারের কথা কল্পনা করাও কঠিন। কিন্তু এই কল্পনাতীত কাণ্ডটাই করে দেখালেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ১০৬ রান তাড়া করতে গিয়ে নিজেরা অলআউট হলেন মাত্র ৫৮ রানে। ফলে এই ম্যাচে ৪৭ রানের এক অবিশ্বাস্য পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো মুশফিকুর রহিমের দল। ভারতীয় তরুণ অলরাউন্ডার স্টুয়ার্ট বিনি ৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছেন এই পরাজয়ের প্রান্তে। অথচ ম্যাচটা শুরু থেকে একেবারে বাংলাদেশের হাতের মুঠোয় ছিল। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগেই মেঘলা আবহাওয়া দেখে তিনজন খাঁটি ফাস্ট বোলার এবং একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার নিয়ে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে তিন ফাস্ট বোলার মাশরাফি, আল আমিন ও তাসকিন একদম ধ্বসিয়ে দেন ভারতীয় ব্যাটিং।
অজিঙ্কা রাহানেকে আউট করে শুরুটা মাশরাফি করেছিলেন। এরপর টানা ৫টি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে অভিষেকে সেরা বোলিং করে ফেলেন তাসকিন আহমেদ। আর দেশের ওয়ানডে ইতিহাসে এটি তৃতীয় সেরা বোলিং। পাশাপাশি মাশরাফি ২টি ও আল আমিন নেন একটি উইকেট। আর বাংলাদেশের হয়ে খেলা একমাত্র স্পিনার সাকিব আল হাসান শেষ উইকেটটি নিয়ে ৪১ ওভারের ম্যাচে ভারতকে ২৫.৩ ওভারে ১০৫ রানে অলআউট করেন। জবাবে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশ হারায় একেবারে ছন্দের বাইরে থাকা, ফর্ম নিয়ে ধুঁকতে থাকা তামিম ইকবালকে। ইনফর্ম এনামুলও ফিরে আসেন দলীয় ১৩ রানে। এরপর অবশ্য আরেক অভিষিক্ত মিঠুন আলীর ২৬ রানের কল্যাণে ২ উইকেটে ৪৪ রান পর্যন্ত যায় বাংলাদেশ। আর অবিশ্বাস্যভাবে এখান থেকে স্কোর বোর্ডে আর মাত্র ১৪ রান যোগ হতে বাকি ৮ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ!
এই ৮ উইকেটের ৬টিই মাত্র ৪ রান দিয়ে তুলে নিয়ে ভারতের পক্ষে ইতিহাস সেরা বোলিং ফিগারের মালিক হয়ে যান সাবেক অলরাউন্ডার রজার বিনির ছেলে স্টুয়ার্ট বিনি। বাকি ৪টি উইকেট নেন মোহিত শর্মা।
