যুবলীগ নেতা মিল্কি হত্যা মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৪, ২২:১৪
মূল আসামিদের বাদ দিয়ে ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কি হত্যার অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে বাদীর নারাজি আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ১০ আগস্ট এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার ওই নারাজি আবেদন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তারেক মঈনুল ইসলাম ভুঁইয়া শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বাদীর আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মনসুর রিপন আদালতে নারাজির শুনানিতে বলেন, বাদীর নারাজির আবেদনে বলা হয়, একটি প্রভাবশালী মহলের চক্রান্তে এ মামলায় ইচ্ছাকৃতভাবে মূল অপরাধীদের আড়াল করতে র্যাব মনগড়া এক অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সহিদুল ইসলাম টিপু, ওয়াহিদুল আলম প্রকাশ, মো. আহকামুল্লাহ, আমিনুল ইসলাম বাবু, মাহবুবুর হক হিরক, এনামুল হক ও মাসুদ উদ্দিন আহমেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে ফের তদন্ত করা হোক। গত ৯ জুন এ মামলার বাদী নিহত মিল্কির ছোট ভাই মেজর রাশিদুল হক খান মিল্কি আদালতে এ নারাজি আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে বলা হয়, সঠিকভাবে তদন্ত না করা, প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ না দেয়া, তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটি ভিন্ন খাতে নিতে মূল আসামিদের নাম অভিযোগপত্রে উল্লেখ না করায় এ নারাজি দাখিল করেন। গত ১৫ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১ এর পুলিশ সুপার কাজীমুর রশিদ ১১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। নয়জনকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করেন। ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। গত বছরের ২৯ জুলাই রাতে মাত্র ১৪ সেকেন্ডের মধ্যে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যার এ মর্মান্তিক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন গুলশান-১ এর শপার্স ওয়ার্ল্ড মার্কেটের ক্রেতা ও পথচারীরা। মিশন শেষ করে মোটরবাইকে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চার যুবক। মধ্যরাতের শ্বাসরুদ্ধকর এ দৃশ্যটি ধরা পড়ে শপার্স ওয়ার্ল্ডের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায়। পরে তা জব্দ করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩০ জুলাই রাত ১২টার দিকে গুলশান থানায় নিহত মিল্কির ছোট ভাই মেজর রাশিদুল হক খান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে যুবলীগ নেতা তারেক, জাহিদুল ইসলাম টিপু, চঞ্চল ও আরিফসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।